https://www.prothomalony.com/
15731
north-america
প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৩:১০
সৌদি আরবের জেদ্দায় তিন দিনব্যাপী ‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো–২০২৫ (সৌদি আরব সংস্করণ)’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো রপ্তানি ও বিনিয়োগ—দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
গত ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর জেদ্দার রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) মনোনীত সাতটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪০টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রদর্শনীতে তৈরি পোশাক, কৃষি ও হালাল খাদ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবা, প্লাস্টিক, পাট ও পাটজাত পণ্য, পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ও আতিথেয়তা খাতের পণ্য ও সেবা তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বহুমুখী রপ্তানি সক্ষমতা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পরিসরে উপস্থাপিত হয়।
.jpg)
এক্সপো উপলক্ষে আয়োজিত ‘সংবাদ সম্মেলনে’ আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রদর্শনী থেকে ৪ লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলারের নিশ্চিত রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া রিয়েল এস্টেট ও আতিথেয়তা খাতে ৫ লাখ ৪৬ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ নিশ্চিত হয়েছে। প্রদর্শনী চলাকালে ২৩টি বাণিজ্যিক অনুসন্ধান (ট্রেড ইনকোয়ারি), ৫৫টি কাঠামোবদ্ধ বি-টু-বি বৈঠক এবং দুই শতাধিক নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপিত হয়, যা ভবিষ্যতে বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক্সপোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাননীয় কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সৌদি অর্থনৈতিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ওসামা কোকান্দি। তার উপস্থিতিকে প্রদর্শনীর আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন আয়োজকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো ও গ্লোবাল ট্রেড প্রমোশন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. লিটন আহমেদ বলেন, ‘এই এক্সপোর মাধ্যমে “মেড ইন বাংলাদেশ” ব্র্যান্ড আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সুদৃঢ় হয়েছে। সৌদি আরব ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলোর ক্রেতারা বাংলাদেশের পণ্যের মান, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং সরাসরি উৎস থেকে সংগ্রহের বিষয়ে ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন