https://www.prothomalony.com/

14986

north-america

উত্তর আমেরিকা

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মাত্র অভিবাসী শিশুদের আটকের নীতি স্থগিত করলো আদালত

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ০৬:৩৮

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মাত্র অভিবাসী শিশুদের আটক করতে ট্রাম্প প্রশাসনের  নতুন নীতি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে স্থগিত করেছেন এক ফেডারেল বিচারক। শনিবার বিচারক রুডলফ কনট্রেরাস এক অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। সেখানে বলেছেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিশুদের আটক করা তার ২০২১ সালের আদেশের পরিপন্থী। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া কিশোরদের ‘সবচেয়ে কম সীমাবদ্ধ পরিবেশে’ মুক্তি দিতে হবে। যদি তারা নিজের বা অন্যের জন্য হুমকি হয়ে না ওঠে বা পালানোর ঝুঁকিতে না থাকে।

আইনজীবীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আইস আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে জানাচ্ছিল ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া শিশুদের অনুমোদিত মুক্তির পরিকল্পনা অনুযায়ী ছাড় দেওয়া হবে না। বরং তাদের সরাসরি প্রাপ্তবয়স্ক আটককেন্দ্রে নেওয়া হবে। আইস জানিয়েছিল, এ ধরনের যুবক-যুবতীদের কেবল ‘জরুরি মানবিক কারণ’ বা ‘গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ’ থাকলে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া যাবে। তবে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র কয়েকশ’ জনকেই এভাবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই নীতি কিশোরদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেক শিশু ইতিমধ্যেই পাচারের শিকার বা নির্যাতন, অবহেলা ও পরিত্যাগের শিকার হয়েছে। ২০০৮ সালের এক আইনের অধীনে, অভিভাবকবিহীন শিশুদের তাদের নিজ দেশে ফেরানোর আগে অভিবাসন আদালতের সামনে হাজির হতে হয়।

অক্টোবর ২০২১ থেকে এখন পর্যন্ত মার্কিন সীমান্ত কর্তৃপক্ষ ৪ লাখের বেশি অভিভাবকবিহীন শিশুকে আটক করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী, এসব শিশু প্রথমে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা মন্ত্রণালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়। নতুন নিয়মে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ডিএনএ টেস্ট ও ঘরে যাচাইসহ আরও কঠোর প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে, যা শিশুদের পরিবারের কাছে মুক্তি পাওয়ার সময়সীমা অনেক বেড়ে দিয়েছে।

আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিলসহ অভিবাসন অধিকারকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এসব পদক্ষেপ মূলত কিশোরদের উপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের মার্কিন সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার থেকে বিরত রাখার একটি কৌশল। আইসিই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন