https://www.prothomalony.com/

14903

north-america

উত্তর আমেরিকা

২৫০ দিনের কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসী অপসারণ

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৯:০১

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ২৫০ দিনের মধ্যেই দেশ থেকে ২০ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লেও বিপুলসংখ্যককে জোরপূর্বক বহিষ্কার করা হয়েছে।

ডিএইচএস-এর তথ্যমতে, প্রায় ১৬ লাখ অভিবাসী স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করেছেন। আর আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে ৪ লাখের বেশি মানুষকে। প্রশাসনের লক্ষ্য চলতি বছরের শেষে প্রায় ৬ লাখ আনুষ্ঠানিক বহিষ্কার সম্পন্ন করা।

ডিএইচএস-এর সহকারী সচিব ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, সংখ্যাগুলোই প্রমাণ করে—২৫০ দিনের মধ্যে ২০ লাখ অবৈধ অভিবাসী অপসারণ ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও সেক্রেটারি নোমের নেতৃত্বের সফলতা। আমরা আমেরিকান সমাজকে নিরাপদ করতে পেরেছি। তিনি আরও জানান, বিশেষ করে অপরাধে জড়িত ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, টানা চার মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো অবৈধ অভিবাসীকে প্রবেশের পর মুক্ত করা হয়নি। জাতিসংঘের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মধ্য আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসন ৯৭ শতাংশ কমেছে এবং প্রায় অর্ধেক সম্ভাব্য অভিবাসী যাত্রা শুরুর আগেই ভয়ে পিছিয়ে গেছেন।

অভিযানকে শক্তিশালী করতে প্রশাসন নতুন কয়েকটি আটককেন্দ্র চালু করেছে, যার মধ্যে রয়েছে অ্যালিগেটর আলকাত্রাজ, স্পিডওয়ে স্ল্যামার, কর্নহাস্কার ক্লিঙ্ক এবং লুইজিয়ানা লকআপ। এছাড়া ৪০টি অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ১ হাজারের বেশি চুক্তি (২৮৭-জি) সই করা হয়েছে, যাতে তারা সরাসরি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

ডিএইচএস জানায়, অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর সব নতুন নিয়োগ শুধুমাত্র মার্কিন নাগরিকদের দেওয়া হয়েছে। ফলে এই নীতি শুধু অভিবাসন নিয়ন্ত্রণই নয়, দেশীয় কর্মসংস্থান সুরক্ষাতেও অবদান রাখছে।

বিভাগটির ভাষ্য, এসব পদক্ষেপ অভিবাসী বহিষ্কার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, কার্যকর ও কঠোর করবে এবং “শূন্য সহনশীলতা” নীতিকে দৃঢ় করবে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন