https://www.prothomalony.com/
14794
north-america
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৮:২৭
নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন মানসিক স্বাস্থ্য ও গৃহহীনতা সংকট মোকাবিলায় নতুন কর্মসূচি “ব্রিজ টু হোম” চালু করেছে। এর লক্ষ্য হলো মানসিক অসুস্থতায় ভোগা নিউইয়র্কারদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর স্থায়ী আবাসনের আগে একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে রাখা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কমিউনিটি অপ-এড-এ সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেন, “প্রথম কেন্দ্রটি সম্প্রতি ম্যানহাটনের মিডটাউনে চালু হয়েছে। এখানে মোট ৪৬ জন বাসিন্দার জন্য পৃথক কক্ষ, প্রতিদিন তিন বেলার পুষ্টিকর খাবার এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে। হেলথ ও হসপিটালসের পেশাজীবীরা সপ্তাহে সাত দিন, দিনে ২৪ ঘণ্টা উপস্থিত থেকে ওষুধ ব্যবস্থাপনা, আসক্তি নিরাময়, আচরণগত থেরাপি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।”
অ্যাডামস আরও বলেন, “এটি শুধু আবাসনের ব্যবস্থা নয়—এটি হাসপাতালের জরুরি সেবা ও দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের মধ্যবর্তী একটি সেতুবন্ধন। এতে অপ্রয়োজনীয় হাসপাতাল ভর্তির সংখ্যা কমবে, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অযথা সংঘাত এড়ানো যাবে। একই সঙ্গে শহর হবে আরও নিরাপদ, পাশাপাশি সব নিউইয়র্কারের জীবনমান উন্নত হবে।”
“ব্রিজ টু হোম” হলো প্রশাসনের ঘোষিত ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনার একটি অংশ। এর মধ্যে রয়েছে— সাবওয়েতে সামাজিক কর্মী ও পুলিশকে একসঙ্গে নামানো (স্কাউট ও পাথ মডেল), মানসিক অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নতুন কমিউনিটি ক্লাবহাউস তৈরি, আরও বেশি ‘সেফ হ্যাভেন বেড’ যুক্ত করে গৃহহীনদের সহজে আশ্রয় দেওয়া।
এছাড়া, এ বছর পাস হওয়া সাপোর্টিভ ইন্টারভেনশনস অ্যাক্ট শহরকে আইনগতভাবে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসার আওতায় আনার ক্ষমতা দিয়েছে।
অ্যাডামস বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা সামাজিক সেবায় বিনিয়োগ করছি, যা জননিরাপত্তাকে জনস্বাস্থ্যভিত্তিক করে তোলে। আমাদের প্রশাসন মানসিক স্বাস্থ্য, গৃহহীনতা এবং জীবনমানের আলোচনাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। অ্যালবানি এ বছর আমাদের যত্নপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়াতে এবং অনিচ্ছাকৃত চিকিৎসার বিকল্প সম্প্রসারণের সুযোগ দিয়েছে।”
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মেয়র বলেন, “আমি শিশু অবস্থায় প্রায় গৃহহীন হয়েছিলাম, আবার সাবওয়েতে ট্রানজিট অফিসার হিসেবেও কাজ করেছি। তাই আমি জানি এই চক্র কতটা কঠিন। এখন আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ—কেউ যতই পথ হারাক না কেন, ঘরে ফেরার জন্য একটি সেতু সব সময় থাকবে। শুধু একটু সাহায্য দরকার।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন