https://www.prothomalony.com/
14618
north-america
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৫:৫১
যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি অভিবাসী আটক কেন্দ্রগুলো দ্রুত একটি কোটি কোটি ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি এই কেন্দ্রগুলোর ব্যবসা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জার্মানভিত্তিক ডয়চে ভেলে জানাচ্ছে, সরকারি তহবিলের যথাযথ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বন্দিদের জন্য কেন্দ্রগুলোর ভেতরের মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ। সমালোচকরা বলছেন, বেশি মুনাফার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো বন্দিদের মৌলিক অধিকার উপেক্ষা করছে।
ট্রাম্প প্রশাসন বছরে প্রায় এক মিলিয়ন অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ উদ্দেশ্যে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৭০ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে আটক কেন্দ্র সম্প্রসারণে ৪৫ বিলিয়ন ডলার এবং আইসিই পরিচালনায় চার বছরের জন্য ৭৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে।
বর্তমানে দুই শতাধিক কেন্দ্রে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী ও অপরাধীকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দেখাশোনা করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের নীতি কার্যকর হওয়ার পরই এই শিল্প দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
কোরসিভিক ও জিও গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে বড় অঙ্কের বৃদ্ধি পেয়েছে। কোরসিভিকের আয় আগের বছরের তুলনায় ১৭% বেড়ে ১৭৭ মিলিয়ন ডলার, আর জিও গ্রুপ গত বছরের ক্ষতির পর এবার প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার লাভ করেছে।
তবে এতসব আর্থিক লাভ ও ফেডারেল বরাদ্দের পরও কেন্দ্রগুলোতে বন্দিদের চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপত্তার তদারকি পর্যাপ্ত নয়। সমালোচকরা বলছেন, অর্থলোভে প্রতিষ্ঠানগুলো মানবাধিকার পরিস্থিতি অবহেলা করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর জন্য বিপুল আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু এর ফলে মানবাধিকার পরিস্থিতি সংকটাপন্ন হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অভিবাসী অধিকার সংস্থাগুলো উদ্বিগ্ন।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন