https://www.prothomalony.com/
14407
north-america
প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার অনলাইনে প্রকাশিত ‘যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করেই রাবির শিক্ষক হতে যাচ্ছেন মিজান!’ সংবাদের প্রতিবাদলিপি, এর ব্যাখ্য এবং প্রতিবেদকের মতামত নিচে তুলে ধরা হলো। প্রতিবাদলিপিতে মিজানুর রহমান নিউজে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেছেন, (পুরো প্রতিবাদ লিপি খসড়া আকারে তুলে ধরা হলো) সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিকতা বা হলুদ মেখে সুন্দর সাজার চেষ্টাকে ধিক্কার জানাই। আমি মিজানুর রহমান (মীম মিজান)। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের পিএইচডি গবেষক। একজন সামান্য লেখক, অনুবাদক, গবেষক, কলামিস্ট ও ভ্রামণিক। ২০০৬-২০০৭ সেশনে তৎকালীন ভাষা বিভগে (ফার্সী) ভর্তি হই। আমরাই ইউনিভার্সিটিতে সিজিপিএর প্রথম ব্যাচ। নানা মামলা-হামলা আর ফ্যাসিস্টের অত্যাচারের পাশাপাশি বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হয়েও মাত্র ০.০২ এর ব্যবধানে অনার্সে দ্বিতীয় মেধাস্থান অধিকার করি। অর্থাৎ ৩.৪৫ পেয়েছিলাম। আর যিনি প্রথম হয়েছিলেন তিনি পেয়েছিলেন ৩.৪৭। এরপর এম.এ. এর রেজাল্টে আমি অনেক পয়েন্টের ব্যবধানে প্রথম হই। অর্থাৎ ৩.৮৫৭ পাই। যেখানে যৌথভাবে যারা দ্বিতীয় মেধাস্থান অধিকার করেছিলেন তারা পেয়েছিলেন ৩.৭১।
এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ইরান সরকারের বৃত্তি লাভ করে ইরানের কাজভিনে ইমাম খোমেইনি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ফারসি ভাষার উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করি। যেখানে বিশ্বের ২৭ দেশের ১০৩ জন শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ২২তম অবস্থান করেছিলাম। উল্লেখ্য যে আমরা সে কোর্সে বাংলাদেশ থেকে ১২জন অংশ নিয়েছিলাম। তাদের মধ্যেও আমি প্রথম হয়েছিলাম।
এরপর ২০১৩-২০১৪ সেশনে এম.ফিল. কোর্সে ভর্তি হই। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২১ সনের ফেব্রুয়ারিতে আমি এওয়ার্ডপ্রাপ্ত হই। এরপর ২০২১-২০২২ সেশনে পিএইচডিতে ভর্তি হয়ে কোর্স ওয়ার্ক ইত্যাদি শেষ করে প্রথম সেমিনার দিয়ে এখন প্রি-সাবমিশনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আমি ২০০৩ সনে দাখিল ও ২০০৫ সনে আলিম পাশ করি। চারদলীয় ঐক্যজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেসময়কার শিক্ষা-প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বিভাগভিত্তিক ফলাফলের স্থানে জিপিএ পদ্ধতি চালু করেন। ফলে আগে যারা বোর্ড স্ট্যান্ড, স্টার বা প্রথম বিভাগ পাওয়ার উপযোগী ছিলেন তারা পেলেন ৩.০০ বা তার একটু উপরে। আমার ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১০ এর পরে যে বাম্পার ফলনের জিপিএ দিয়েছে, তাতে আমাদের রেজাল্ট মিইয়ে গেছে।
আমি দেশ-বিদেশের শতাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশ নিয়েছি। সেশনের চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেছি। কনফারেন্সের কনভেনার ছিলাম। ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রেখেছি। বাগদাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের Peer reviewed issn journal এর রিভিউয়ার। পাশাপাশি অনেকগুলি জার্নালের এডিটিং করেছি। এডিটরিয়াল বোর্ডের সদস্য। প্রায় ত্রিশটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হয়েছে। ৩০০ এর অধিক ফারসি কবিতা ও গল্প অনুবাদ করেছি। অন্যান্য বিষয়ে ৮০০ এর মতো লেখা প্রকাশ হয়েছে।
কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সম্মাননা লাভ করেছি। চারটি লিটল ম্যাগাজিনের সম্পাদক। বেশ কয়েকটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছি।
এখন কথা হলো, আমাদের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলো ২০১৯ সনে। সেসময়ে আমি দরখাস্ত করেছিলাম। সেসময়ে চাহিত যোগ্যতা ছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে পয়েন্টের ক্ষেত্রে একটিতে ৩.৫০ অন্যটিতে ৪.০০। আর সনাতন পদ্ধতির বিভাগে একটিতে ১ম বিভাগ আর অন্যটিতে ২য় বিভাগ। অনার্স ও এম.এ. তে একটিতে ৩.০০ এবং অন্যটিতে ৩.২৫।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০০৯ সনে একটি গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, যারা ২০০১, ২০০২ এবং ২০০৩ সনে মাধ্যমিক এবং ২০০৩ সনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩.৫০ এর উপরে পাবে তাদেরকে প্রথম বিভাগ বলে গণ্য করা হবে। আমার ২০০৩ সনের ৩.৬৭ মানে প্রথম বিভাগ। আর ২০০৫ সনের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল ৩.৫৮ গেজেটের আরেক অংশ অনুযায়ী দ্বিতীয় অংশ।
এখন প্রশ্ন হলো যে, ২০১৯ সনে আমি গেজেটটি দরখাস্তের সাথে জমা দিইনি। কিন্তু বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির দায়িত্বের ভিতরে পড়ে যে, মূল্যায়নের সময় ঐ সংশ্লিষ্ট বিষয় অবগত হওয়া। যেহেতু তাঁরা বিচার করবেন। যেমন কোনও বিচারক বিচার করতে বসলে ঐ মামলায় পূর্বতন যতসব রায় আছে সেগুলি ঘেটেঘুটে বসেন। তেমনটি। আর আমি জানতামও না যে আমি বাদ পড়েছি কি না! কারণ অন্যদেরকো তো আর সেসময়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল না। অতঃপর ২০২৫ সনের ৩০ এপ্রিল রাবি থেকে দশটি বিভাগের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পায়। সেখানে উল্লেখ ছিলো যে, ইতোমধ্যে নিম্নোক্ত বিভাগগুলিতে যারা দরখাস্ত করেছেন তাদের আর দরখাস্ত করার প্রয়োজন নেই। মানে পূর্বের নীতিমালা অনুযায়ী যারা টিকবেন তারাও যোগ্য।
কিন্তু রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্ল্যানিং এর জন্য পুরাতন দরখাস্তগুলি বিভাগে পাঠানো হয়নি। শুধু নতুন দরখাস্তগুলি পাঠানো হয়। ফলে পুরাতন দরখাস্তকারী অনেকেই যদি নতুন নীতিমালায় যোগ্য হন তাদের বিষয়ে আর কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এমতাবস্থায় আমি ০৭.০৭.২০২৫ খ্রি. তারিখে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর প্রার্থীতা চেয়ে দরখাস্ত করি। সেখানে ২০০৯ সনের গেজেটটিসহ সব কাগজপত্র সংযুক্ত করেছিলাম। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সনের দরখাস্তগুলি পুনঃ মূল্যায়ন না করায় অনার্স ও মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট দুজন বড়ভাইও বাদ পড়ে যান। যার মধ্যে একজন সাংবাদিক সম্মেলন করলে তাদেরকেও দরখাস্ত করতে বলা হয়। নানা চড়াই-উতরাই শেষে ভাইভার আগেরদিন আমরা ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া তিনজনই ক্যান্ডিডেটই কার্ড পাই।
আমাদের ওপর বিশাল এক মানসিক সাইক্লোন চলে গেছে। ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট যোগ্য ক্যান্ডিডেট অথচ আমরা ভাইভা কার্ড পাচ্ছিলাম না।
আসল নোংরামি শুরু হলো ভাইভা কার্ড পাওয়ার পর। একমাত্র আমার নামেই যত অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনকে চাপে ফেলার চেষ্টা হলো। পরীক্ষার দিন দেখলাম যে, সবাই উজবুক চোখে তাকায়। কানাকানি করছে আমাকে নিয়ে নিউজ করবে।
নিউজ হলো, তা আজকে। আমি অযোগ্য। গতকালকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইরফান তামিম ফোন করে আমার ফলাফল জানতে চাইলেন। আমি যোগ্য নই বললেন। আমি স্পষ্ট করে আমার ফলাফল জানালাম। ২০১৯ সনের বিজ্ঞপ্তি ও ২০০৯ সনের গেজেটের কথা বললাম। এবং তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিলাম। অথচ আজকে সিনিয়র এক অধ্যাপকের বরাত দিয়ে নিউজ করলো যে, আমি অযোগ্য। অথচ আমার বক্তব্য একবারও কোট করলো না। এবং একসাথে তিনজনকে যে ভাইভা কার্ড দেয়া হলো তা উল্লেখ করলো না। এগুলো অপ-সাংবাদিকতা। হলুদে মাখা। উস্কানি দেয়া।
খুব সম্ভবত ইতোমধ্যে সিন্ডিকেট সভা শুরু গেছে। আর ফেসবুকে আমাকে নিয়ে আজগুবি কথাবার্তা ছড়ানো হচ্ছে।
ভাই, আলহামদুলিল্লাহ, আমি এমনিতেই অল্পবিস্তর পরিচিত। গুগুলে গিয়ে মীম মিজান বা Meem Mizan লিখে সার্চ করুন। বিশ্বের অনেকগুলো দেশেই আমার লেখাজোখা প্রকাশ হয়। গ্রাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্রাজুয়েশনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা আমার লেখা বই রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে পড়ে।
বাংলা, ইংরেজি আর ফারসিতে সামান্য কিছু লিখালিখি আছে।
সবচেয়ে আহত করা বিষয় যে, আমাকে নিয়ে করা নিউজে উল্লেখ করেছে, ২৪ এর শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানী করা হবে। ভাইসব, ফারসি অঙ্গন থেকে ২৪ এর আন্দোলনে কাদের কী অবদান আছে তা ছবি আর ভিডিও প্রমাণ দেয়। হাসিনা দেশে থাকলে প্রথম অবস্থায় যাদের মাথা কাটা হতো, তাদের মধ্যে আমি একজন। সুতরাং জুলাই আন্দোলনের বিষয়ে সস্তা বুলি আওড়াবেন না। আমার সাথে জুলুম হয়েছে।
প্রতিবেদন, প্রতিবাদলিপি, ডকুমেন্টের আলোকে ব্যাখ্যা
২০১৯ সালের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচাই করে দেখা গেছে, সনাতন ও গ্রেডিং পদ্ধতির জন্য আলাদা করে শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সনাতন পদ্ধতিতে এসএসসি/সমমান অথবা এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার যে কোন একটিতে প্রথম বিভাগ এবং অন্যটিতে কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে।
এদিকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় জিপিএ (গ্রেড পয়েন্ট) ৫.০০ স্কেলে যে-কোন একটিতে ন্যূনতম জিপিএ/সিজিপিএ ৩.৫০ এবং অন্যটিতে ৪.০০ থাকতে হবে।
মিজানুর রহমান ২০০৩ সনে দাখিল(এসএসসি) ও ২০০৫ সনে আলিম(এইচএসসি) পাশ করেন। ফলাফলে দেখা গেছে তিনি, এসএসসিতে ৩.৬৭ এবং এইচএসসিতে ৩.৫৮ পেয়েছেন। যেহেতু, মিজানুর রহমান গ্রেডিং পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন সেহেতু তিনি 'ন্যূনতম কোনো একটিতে ৪. ০০(৫.০০ এর মধ্যে) থাকার' শর্ত পূরণ করতে পারেননি। সে হিসেব তিনি উক্ত পদের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন না।
প্রতিবাদলিপিতে মো. মিজানুর রহমান ২০০৯ সালের ২ জুন জারিকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের উদ্বৃতি দিয়ে বলেছেন, "যারা ২০০১, ২০০২ এবং ২০০৩ সনে মাধ্যমিক এবং ২০০৩ সনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩.৫০ এর উপরে পাবে তাদেরকে প্রথম বিভাগ বলে গণ্য করা হবে। আমার ২০০৩ সনের ৩.৬৭ মানে প্রথম বিভাগ। আর ২০০৫ সনের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল ৩.৫৮ গেজেটের আরেক অংশ অনুযায়ী দ্বিতীয় অংশ।" (প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিলো: ২০০৪ পরবর্তী এসএসসি ও এইসএসি পরীক্ষার্থীরা ৪.০০ বা তদুর্ধ্ব—প্রথম বিভাগ এবং ৩.০০ বা তদুর্ধ্ব দ্বিতীয় বিভাগ।) প্রজ্ঞাপনে দেওয়া নিয়মের সাথে প্রচলিত গ্রেডিং পদ্ধতি মেলালে তিনি একটি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ এবং অন্যটিতে দ্বিতীয় বিভাগ পেয়েছেন।
কিন্তু, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে গ্রেডিং সিস্টেমের জন্য শর্ত এবং আলাদাভাবে সনাতন পদ্ধতির জন্য শর্ত দেওয়া আছে। যেহেতু,মিজানুর রহমান গ্রেডিং পদ্ধতিতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন সেহেতু তাকে গ্রেডিং পদ্ধতির যোগ্যতা অর্জন করাটাই যৌক্তিক। আর গ্রেডিং পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিয়ে সনাতন পদ্ধতির শর্ত পূরণ করে যোগ্য দাবি করার বিষয়টির যৌক্তিকতা কোনভাবেই মেলে না।
আরও স্পষ্ট করে বললে, মিজানুর রহমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন গ্রেডিং পদ্ধতিতে, কিন্তু চাকুরি আবেদনে তিনি গ্রেডিং পদ্ধতির শর্ত না পূরণ করে গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলকে সনাতন পদ্ধতিতে রূপান্তর করে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে চেয়েছেন। যেটা কোনভাবেই যৌক্তিক নয়। যদি তেমনটা হতো তাহলে বিজ্ঞপ্তিতে আলাদাভাবে গ্রেডিং এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য শর্ত রাখার কোন প্রয়োজনীয়তা ছিলো না।
২০১৯ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের একটি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণী এবং অন্যটিতে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণীর শর্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী, গ্রেডিং পদ্ধতিতে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় জিপি (গ্রেড পয়েন্ট) ৪.০০ স্কেলে যে-কোন একটিতে ন্যূনতম জিপিএ/সিজিপিএ ৩.০০ এবং অন্যটিতে ৩.২৫ থাকতে হবে। মিজানুর রহমান এই পর্যায়ে এসে সেই ফলাফল অর্জন করতে পেরেছেন। তিনি স্নাতকে ৩.৪৫ এবং স্নাতোকত্তরে ৩.৮৫ পান। কিন্তু কেবল একটি শর্ত পূরণ করে তিনি যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন না।
এদিকে ২০২৫ সালে প্রকাশিত শিক্ষক নিয়োগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, সেখানে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফলের কোন শর্ত রাখা হয়নি। সেখানে গ্রেডিং পদ্ধতিতে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় সিজিপিএ (গ্রেড পয়েন্ট) ৪.০০ স্কেলে উভয় পরীক্ষায় ৩.৫০ থাকার শর্ত দেওয়া হয়। এখানে এসেও স্নাতকে ৩.৪৫ ফলাফল থাকায় মিজানুর রহমান নিয়োগ শর্ত পূরণ করতে পারেননি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: একজন সংবাদকর্মী হিসেবে তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে। প্রতিবেদনের পেছনে অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্য ছিলো না। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত এবং মিজানুর রহমানের ফলাফলের স্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ব্যাখ্যা অংশে প্রতিবেদনের বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরা হয়ছে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন