https://www.prothomalony.com/
13967
north-america
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৫ ০০:৩২
ট্রাম্প প্রশাসনের জন্মসনদ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ কার্যকর করার বিষয়ে ফেডারেল এক বিচারক প্রশ্ন তোলেন, আদেশ কার্যকর হওয়ার আগেই কি আমেরিকায় জন্ম নেওয়া অবৈধ অভিবাসীর শিশুরা বহিষ্কার করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জেলা বিচারক দেবোরা বোর্ডম্যান প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন। যেখানে স্পষ্ট করা হবে আদেশের কার্যকারিতা এবং সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে। তিনি জানতে চেয়েছেন, আদেশ কার্যকর হওয়ার আগে কি সরকার এসব শিশুকে বহিষ্কার করার চেষ্টা করবে কি-না? যারা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং যাদের ওপর এই আদেশ প্রযোজ্য কিন্তু যারা মামলা করেননি।
বিচার বিভাগীয় আইনজীবী ব্র্যাড রোজেনবার্গ জানান, সুপ্রিম কোর্ট আদেশ স্থগিত রাখায় এখনো প্রশাসনের কোনো বহিষ্কারের পরিকল্পনা নেই এবং এ ধরণের প্রশ্ন ‘কল্পনাপ্রসূত’।
তবে বাদীর আইনজীবীরা আদেশের কারণে তাদের ক্লায়েন্টদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলছেন। তারা জানাচ্ছেন, শুধু বহিষ্কার নয়, আদেশ প্রয়োগের অন্য মাধ্যমে নবজাতকদের নাগরিক অধিকার হরণ হতে পারে।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে নির্ধারিত জন্মসনদ প্রাপ্তির নীতির বিরুদ্ধে। ওই সংশোধনী অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি যিনি আমেরিকায় জন্মেছেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব লাভ করেন, এমনকি তার পিতা-মাতা যদি অবৈধ অভিবাসী হন।
সুপ্রিম কোর্ট সাম্প্রতিক রায়ে জেলা আদালতের ক্ষমতা সীমিত করলেও আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিচারকরা এখন আদেশের কার্যকারিতা ও প্রয়োগের বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করছেন। এই বিতর্কের মাধ্যমে আমেরিকার অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন নীতিতে প্রভাব ফেলবে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন