https://www.prothomalony.com/
13929
north-america
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের গোপন অভিযানের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনে বিক্ষোভ করেছেন অধিকারকর্মীরা। শনিবার (২৮ জুন) আইস অফিস ও ইমিগ্রেশন কোর্টের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ‘নো মাস্ক ফর আইসিই অ্যাক্ট’ নামে একটি নতুন ফেডারেল আইন পাসের আহ্বান জানানো হয়। এ সময় কংগ্রেস সদস্য নিডিয়া এম. ভেলাজকেজ ও জেরাল্ড ন্যাডলার উপস্থিত ছিলেন।
আইনটি পাস হলে আইস এজেন্টরা গ্রেফতারের সময় মুখোশ পরতে পারবেন না এবং তাদের নাম ও সংস্থার পরিচয় সুস্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। বর্তমানে মুখোশধারী আইসিই এজেন্টদের কারণে সাধারণ মানুষ অপহরণের ভয় পাচ্ছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানান ভেলাজকেজ।
“এটি আমেরিকার আদর্শের পরিপন্থী,” বলেন কংগ্রেস সদস্য ভেলাজকেজ। “মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছে না, কে আসল অফিসার আর কে ছদ্মবেশধারী অপরাধী।”
কংগ্রেসম্যান জেরাল্ড ন্যাডলার বলেন, “এই মুখোশধারী অভিযানগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। অভিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি এটি সরাসরি আক্রমণ।”
অভিবাসন আইনজীবীরা বলছেন, অনেক সময় পরিচয় প্রকাশ না করে মানুষকে আদালতের বারান্দা বা রাস্তাঘাট থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। যা বিচারপ্রক্রিয়ার চরম লঙ্ঘন। লিগ্যাল এইড সোসাইটির অভিবাসন ইউনিট প্রধান ডেবোরা লি বলেন, “মুখোশ পরা লোকজন এসে বলে তারা আইসিই। মানুষ বুঝতেই পারে না কে তাদের তুলে নিচ্ছে।”
নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের প্রেসিডেন্ট মুরাদ আওয়াদেহ বলেন, “আইনের আশ্রয়ে আসা মানুষদেরই এখন অন্যায়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অভিবাসীদের ছায়ায় ঠেলে দেওয়ার জন্যই এসব কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।”
ভেলাজকেজ জানান, তার বিলটি ইতিমধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং শিগগিরই সিনেটেও একটি অনুরূপ বিল উত্থাপিত হবে। তিনি বলেন, “আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব। অভিবাসন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতেই হবে।”
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন