https://www.prothomalony.com/
13609
north-america
বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলন মাস্ক হঠাৎ করেই ট্রাম্প প্রশাসনের ‘সরকারি দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগ’ বা ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ (ডোজ) থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ডোজের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা প্রশাসন ত্যাগ করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
ডোজের প্রধান আইন উপদেষ্টা জেমস বার্নহ্যাম এবং মাস্কের দীর্ঘদিনের সহকর্মী স্টিভ ডেভিস তাঁদের দায়িত্ব ছাড়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। তাঁরা ‘বিশেষ সরকারি কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ১৩০ দিন দায়িত্বে থাকতে পারেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় তাঁরা সরে দাঁড়াচ্ছেন।
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাস্ক এক বার্তায় লেখেন, ‘বিশেষ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমার নির্ধারিত সময় শেষ হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ।’ ট্রাম্পের মেয়াদের শুরুতেই ‘ডোজ’ চালু হয়, যার লক্ষ্য ছিল সরকারি ব্যয় হ্রাস ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো।
ডোজ কর্তৃপক্ষের দাবি, এ পর্যন্ত তারা প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করেছে। তবে তাদের কৌশল ও ব্যয়সংকোচন নীতি নিয়ে মামলা ও সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠেছে।
ডোজের মুখপাত্র ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কেটি মিলার-ও প্রশাসন ছাড়ছেন। তিনি মাস্কের সঙ্গে নতুন একটি প্রকল্পে কাজ করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
আইন উপদেষ্টা বার্নহ্যাম ছিলেন ডোজের কৌশলগত সিদ্ধান্তের মূল পরিকল্পক, আর ডেভিস সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করেছেন।
এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ডোজের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন বিশেষ সরকারি কর্মকর্তাও প্রশাসন ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন