https://www.prothomalony.com/

13370

north-america

উত্তর আমেরিকা

ধনীদের কর ইস্যুতে দ্বিধান্বিত ট্রাম্প, বিপাকে রিপাবলিকানরা

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৫ ০২:২১

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ধনীদের ওপর কর বৃদ্ধির বিষয়ে মিশ্র বার্তা দিয়েছেন, যা কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের কর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা জটিল করে তুলেছে। গত শুক্রবার (৯ মে) এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি ব্যক্তিগতভাবে ধনীদের উপর সামান্য কর বাড়ানো সমর্থন করেন। তবে রিপাবলিকানদের উচিত তা না করা।’

ট্রাম্প লেখেন, ‘ধনীদের উপর সামান্য কর বাড়ানো আমি এবং অন্যরা মেনে নিতে পারব, যদি তা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির উপকারে আসে। কিন্তু সমস্যাটা হল- এই সুযোগে ‘র‍্যাডিকাল লেফট’ ডেমোক্র্যাটরা চিৎকার করে বলবে ‘রিড মাই লিপস’- যা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ বলেছিলেন এবং পরে কর বাড়ানোর কারণে নির্বাচনে হেরেছিলেন। যদিও আমি মনে করি, আসলে রস পেরো তাঁকে হারিয়েছিলেন! যাই হোক, রিপাবলিকানদের উচিত সম্ভবত এটা না করা। তবে কর বাড়ালেও আমার আপত্তি নেই!’

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত সম্মানজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবীদের সাহায্য করতে হলে তিনি সামান্য বেশি কর দিতে রাজি আছেন। আলোচনাগুলো এখনো চলছে, সময়মতো প্রেসিডেন্ট হস্তক্ষেপ করবেন।’

এদিকে, হাউস ওয়েজ অ্যান্ড মিনস কমিটি আগামী সপ্তাহে তাদের প্রস্তাবিত কর আইন চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। এই প্রস্তাবে ধনীদের উপর কর বৃদ্ধির বিষয়টি থাকলে তা হবে রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের নীতি-পরিবর্তন। কারণ তারা সাধারণত কর বৃদ্ধির বিরোধী।’

হাউস স্পিকার মাইক জনসন ইতোমধ্যে বলেছেন, ‘আমি কর বৃদ্ধির পক্ষপাতী নই। কারণ ঐতিহাসিকভাবে আমাদের দলই এর বিরোধী।’

১৯৯২ সালে জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ‘রিড মাই লিপস: নো নিউ ট্যাক্সেস’ বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে কর বাড়ানোর আইন স্বাক্ষর করেছিলেন। এর ফলেই নির্বাচনে পরাজিত হন বলে অনেকের ধারণা।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককেই নতুন করে সামনে এনেছে। এতে রিপাবলিকানদের কৌশলগত অবস্থান পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন