https://www.prothomalony.com/

13100

north-america

উত্তর আমেরিকা

স্মার্টফোন ও কম্পিউটারকে শুল্ক থেকে অব্যাহতি দিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে জোর

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৫ ১৫:৩৯

মোবাইল, কম্পিউটারের মতো অনেক ইলেকট্রনিক পণ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কার্যকর হবে না। চীনা পণ্যে যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, তাও ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থা কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রল।

যতদিন গড়াচ্ছে ততই একে অপরের ওপর উচ্চমাত্রার শুল্ক আরোপ করে যাচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। সর্বশেষ চীনের আমদানি পণ্যে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই নতুন শুল্ক কার্যকর হবে না স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর, সোলার সেল কিংবা মেমোরি কার্ডের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যে।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি খাতের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় এই তিনটি খাতে সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন, ৯০ দিনের মধ্যে কোনো বাণিজ্য চুক্তি না হলে পূর্বের কঠোর শুল্ক আবার কার্যকর করা হবে।

একটি কেবিনেট সভায় ট্রাম্প বলেন, আমরা যেটা করছি তা হয়তো এখন একটু কঠিন লাগছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি একটা দারুণ ফলাফল এনে দেবে।

চীন যখন পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, তখন হোয়াইট হাউজ তার উত্তরে চীনের সকল পণ্যের ওপর ১২৫ শতাংশ হারে নতুন শুল্ক বসায়। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত ২০ শতাংশ ফেন্টানিল-সম্পর্কিত শুল্ক। সব মিলিয়ে চীনের পণ্যের ওপর মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৪৫ শতাংশ ।

প্রযুক্তি শিল্পের প্রতিনিধিরা এই ছাড়কে স্বাগত জানালেও সামগ্রিকভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অনেক কোম্পানির মতে, যদি চুক্তি না হয় এবং শুল্ক আবার কার্যকর হয়, তবে উৎপাদন খরচ হঠাৎই বেড়ে যেতে পারে।

সমালোচকরা বলছেন, এত অল্প সময়ে এতগুলো চুক্তি বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভব। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে একটি ছোট চুক্তিতে সময় লেগেছিল ৮ মাস, আর কানাডা-মেক্সিকোর সঙ্গে চুক্তি করতে সময় লেগেছিল দুই বছরেরও বেশি।
 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন