https://www.prothomalony.com/

12565

north-america

উত্তর আমেরিকা

মেয়র নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত হাসান-আলী -ইসলাম

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৩:০৯


ফিলাডেলফিয়ার একটি শহরে ২০২১ সালের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য ভোট জালিয়াতির চেষ্টায় অভিযুক্ত হয়েছেন তিনজন রাজনীতিবিদ। ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি, মোহাম্মদ নুরুল হাসান, মোহাম্মদ মনসুর আলী এবং মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় তিন ডজন ভুয়া ডাকযোগে ভোট তৈরি করার অভিযোগ এনেছে।

এপিনিউজ সূত্র মতে, তারা মিলবোর্নের ১,২০০ জনসংখ্যার বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের বরোর বাসিন্দা হিসেবে নিবন্ধন করিয়ে, তাদের জন্য মেইল-ইন ভোট পাঠিয়েছিলেন এবং পরে তা নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন। 


নুরুল হাসান বরো কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ডেমোক্র্যাটিক অধ্যুষিত এলাকায় ডেমোক্র্যাটিক মেয়র প্রাইমারিতে হেরে যান। মনসুর আলী বরো কাউন্সিলের জন্য ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জিতেছিলেন, কিন্তু রফিকুল ইসলাম সে বছর কাউন্সিল পুনঃনির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে হেরে যান।


 এই ঘটনাটি হাসানের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ২০২১ সালে জয়ের চেষ্টা করা সময়ে ঘটে, যেখানে তিনি পরাজিত হন ১৬৫-১৩৮ ভোটে।

গ্র্যান্ড জুরি অভিযোগ করেছে, হাসান ও আলী শহরের বাইরের বন্ধুদের বলেছিলেন, 'যতক্ষণ তারা ২০২১ সালের নভেম্বরের অন্য কোনো নির্বাচনে ভোট না দেন, ততক্ষণ কোনো সমস্যা হবে না।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে কিছু লোককে তাদের অজান্তেই মিলবোর্নের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছিল।

এই তিনজনের বিরুদ্ধে রিটার্ন খামে ভোটার স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ সহ ষড়যন্ত্র, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভোটার নিবন্ধন এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধনের অভিযোগ রয়েছে। হাসান ও আলীর পক্ষে আদালতের নথিতে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ নেই। বরো অফিসে তাদের মন্তব্যের জন্য বার্তা রাখা হয়েছে।

ইসলামের আইনজীবী রবার্ট সি. কেলার শুক্রবার বলেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। কেলার বলেন, 'সবচেয়ে ভালো বা খারাপ পরিস্থিতিতেও তিনি মাত্র তিনটি অভিযোগের জন্য দায়ী হতে পারেন।

তিনি আরও জানান, ইসলাম এর আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই, তিনি বিবাহিত, সন্তানের বাবা, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং কর্মরত। 

নুরুল হাসান বরো কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ডেমোক্র্যাটিক অধ্যুষিত এলাকায় ডেমোক্র্যাটিক মেয়র প্রাইমারিতে হেরে যান। মনসুর আলী বরো কাউন্সিলের জন্য ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জিতেছিলেন, কিন্তু রফিকুল ইসলাম সে বছর কাউন্সিল পুনঃনির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে হেরে যান। এই ঘটনাটি হাসানের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ২০২১ সালে জয়ের চেষ্টা করা সময়ে ঘটে, যেখানে তিনি পরাজিত হন ১৬৫-১৩৮ ভোটে।

গ্র্যান্ড জুরি অভিযোগ করেছেন যে, হাসান ও আলী শহরের বাইরের বন্ধুদের বলেছিলেন, 'যতক্ষণ তারা ২০২১ সালের নভেম্বরের অন্য কোনো নির্বাচনে ভোট না দেন, ততক্ষণ কোনো সমস্যা হবে না।' অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে কিছু লোককে তাদের অজান্তেই মেলবোর্নের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছিল।

এই তিনজনের বিরুদ্ধে রিটার্ন খামে ভোটার স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগসহ ষড়যন্ত্র, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভোটার নিবন্ধন এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধনের অভিযোগ রয়েছে। হাসান ও আলীর পক্ষে আদালতের নথিতে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ নেই। বরো অফিসে তাদের মন্তব্যের জন্য বার্তা রাখা হয়েছে।

ইসলামের আইনজীবী রবার্ট সি. কেলার শুক্রবার বলেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। কেলার বলেন, 'সবচেয়ে ভালো বা খারাপ পরিস্থিতিতেও তিনি মাত্র তিনটি অভিযোগের জন্য দায়ী হতে পারেন।' তিনি আরও জানান, ইসলামের আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন