https://www.prothomalony.com/
7016
north-america
এখনো হাজারের বেশি মরদেহ চাপা পড়ে রয়েছে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের নারকীয় হামলায় বিধ্বস্ত অসংখ্য ভবনের নিচে। শনাক্ত করা যায়নি তাদের পরিচয়। তাই নিহত ব্যক্তিদের তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২৭ অক্টোবর শুক্রবার ডব্লিউএইচও এ কথা জানিয়েছে।
এদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় গত ২১ দিনে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৭ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি রিচার্ড পিপারকর্ন ২৭ অক্টোবর জেনেভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘গাজায় এক হাজারের বেশি মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আছে বলে আনুমানিক একটা হিসাব আমরা পেয়েছি। এসব মরদেহ এখনো শনাক্ত করা যায়নি।’
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায়। এর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী বিরামহীন বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়ে আসছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ গতকাল জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৮১ জন নিহত হয়েছেন। এতে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ৩২৬। তাঁদের ৬৬ শতাংশই নারী ও শিশু। এ ছাড়া পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অভিযানে এই কয়েক দিনে নিহত হয়েছেন ১১০ ফিলিস্তিনি।
ইতিমধ্যে গাজা উপত্যকায় হামলায় ফিলিস্তিনে জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) ৫৭ কর্মী এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন। ২৭ অক্টোবর সংস্থার প্রধান ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি বলেছেন, ‘এই কর্মীদের মধ্যে শুধু এক দিনেই ১৫ জন নিহত হয়েছেন বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। বেকারি থেকে রুটি সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই দিন আগে আমাদের এক সহকর্মী নিহত হন।’
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, গাজার ১২টি প্রধান হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচার চালিয়ে যেতে দিনে কমপক্ষে ৯৪ হাজার লিটার জ্বালানি প্রয়োজন। কিন্তু জ্বালানি–সংকটে সেখানকার হাজারো রোগীর জীবন এখন ঝুঁকিতে।
পিপারকর্ন সতর্ক করে বলেছেন, কিডনির ডায়ালাইসিস প্রয়োজন, এমন ১ হাজার রোগী, ইনকিউবেটরে থাকা ১৩০ নবজাতক, ২ হাজার ক্যানসার রোগী ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) থাকা রোগীরা জ্বালানি–সংকটের কারণে ঝুঁকিতে আছেন।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন