https://www.prothomalony.com/

6961

north-america

উত্তর আমেরিকা

ওয়াশিংটনে "আর্কিটেকচার এজ ফ্রিডম" প্রদর্শনী শেষ হলো

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১২:৫১

ওয়াশিংটনে তিনদিন ব্যাপী "আর্কিটেকচার এজ ফ্রিডম" প্রদর্শনীর শেষ হলো। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ব্র্যাক ও ক্যাথলিক৷৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে যে আটটি নেক্সট জেনারেশন ব্র্যাক আঞ্চলিক কার্যালয় নির্মিত হয়েছিল সেই আটটি ভবনের ৫টির মডেল বা ভবনের প্রটোটাইপগুলোই এই প্রর্দশনীর প্রধান আকর্ষণ। বাংলাদেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নেয়ার স্বপ্নে স্হাপত্য শৈলীতে গড়া এ ব্যতীক্রমী উদ্যোগ ।  

বাংলাদেশের সহজ সরল মানুষের জীবনধারা, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক জীবনকে সামনে রেখে আধুনিকতার ছোয়ায় গড়ে তোলা পরিপাটি অফিসকক্ষ দেখে গ্রাম থেকে উঠে আসা একজন মানুষ যেন থমকে না দাঁড়ান বা নিজেদেরকে গুটিয়ে না নেন, সে কথাটি মাথায় রেখে কার্যালয়গুলোকে অত্যন্ত সহজ সরলভাবে সাজানো হয়েছে।

আর এর মূল লক্ষ্যই ছিল আমলাতান্ত্রিক বৈষম্য ঘুচিয়ে অফিসটিকে তারা যেন তাদের নিজের মনে করেন। স্বচ্ছন্দবোধে ঘরটিকে নিজের মনে করেন। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদের বসবার মত অবাধ জায়গা থাকবে যেখানে প্রচুর আলো-বাতাস বইবে।

ভবনটি যেন পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং টেকসই হয়   তার দিকে খেয়াল রেখে ভবনের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে প্রচুর ভেন্টিলেটার। বিশেষ করে বাইরের দেয়ালের উপরের অর্ধেক অংশে ইটের গাঁথুনিতে আলো বাতাস চলাচলের জন্য প্রচুর ফাঁক রাখা হয়েছে। এক কথায়, দপ্তরের ভিতরের প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজনের কথা মনে রেখে কক্ষগুলোকেও সাজানো হয়েছে।

ওয়াশিংটনের ডিস্ট্রিক্ট আর্কিটেকচার সেন্টারে ২০ অক্টোবর শেষ হয়েছে   ব্র্যাক বাংলাদেশের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রটোটাইপ "আর্কিটেকচার এজ ফ্রিডম"  প্রদর্শনী। উদ্বোধনী  দিনে ১৮ অক্টোবর অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পিটার কিলপ্যাট্রিক, ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের ডিন মার্ক ফার্গুসন, এবং ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান।

২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ব্র্যাক ও ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে যে আটটি নেক্সট জেনারেশন ব্র্যাক   আঞ্চলিক কার্যালয় নির্মিত হয়েছিল সেই আটটি ভবনের ৫টির মডেল বা    ভবনের প্রটোটাইপগুলোই ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব অর্কিটেকচার এন্ড প্ল্যানিং এর সৌজন্যে এই প্রর্দশনীর প্রধান আকর্ষণ। আমেরিকার  জনসাধারণের কাছে এ ধরণের প্রদর্শনী কতটা অর্থবহ সে    সম্পর্কে অধ্যাপক মোর্শেদ বলেন- গ্লোবাল সাউথের যে অনেক মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা- এ নিয়ে (আমেরিকনদের) কোন  ধারণা নেই। তো আমার মনে হয় এই প্রদশর্নী আমেরিকানদের ধারনা দিতে পারবে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন