https://www.prothomalony.com/
6935
north-america
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৩ ০৪:৩৪
আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিচারাধীন মামলা নিয়ে কথা বলেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিচারকাজ চলমান থাকা অবস্থায় আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ায় জরিমানা গুনতে হবে এখন তাকে। ২০ অক্টোবর শুক্রবার নিউইয়র্কের একটি আদালত ট্রাম্পকে পাঁচ হাজার ডলার জরিমানা করেছেন। বিচারক ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এরপর একই কাজ করলে তাঁকে কারাগারে যেতে হতে পারে।
বিচারকাজ চলার সময় এ নিয়ে কোনো কিছু জনসমক্ষে প্রকাশ না করার ব্যাপারে আদালত আগেই আদেশ দিয়েছিলেন। গ্যাগ ওর্ডার নামে আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেই ট্রাম্প এ নিয়ে তার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছিলেন।
নিউইয়র্কের আদালতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা চলছে। ৩ অক্টোবর বিচারক আর্থার এনগোরোনের প্রধান আইন কর্মকর্তার (প্রিন্সিপাল ল ক্লার্ক) বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্য ট্রুথ সোশ্যাল নামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন ট্রাম্প। বিষয়টি আদালতের নজরে এলে ওই পোস্ট সরিয়ে নিতে বলা হয়।
পোস্টটি সরিয়ে নেন ট্রাম্প। তবে গতকাল আদালত বলেন, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের জন্য ট্রাম্প যে ওয়েবসাইট খুলেছেন, সেখানে ওই পোস্ট টানা ১৭ দিন ছিল। গত বৃহস্পতিবার আদালতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর ওয়েবসাইট থেকেও তা সরিয়ে ফেলা হয়।
বিচারক আর্থার এনগোরোন বলেন, যদিও ট্রাম্পের আইনজীবী আদালতে বলেছেন, এটা অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে। তবে এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প আদালতের আদেশ অমান্য করেছেন। আদেশে বিচারক আর্থার বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ট্রাম্পকে নিউইয়র্ক ল ইয়ার্স ফান্ড ফর ক্লায়েন্ট প্রোটেকশনে জরিমানার পাঁচ হাজার ডলার জমা দিতে হবে। ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত হোক, এই কাজ আর করা যাবে না। এমন কাজ আবার করলে কারাগারে যেতে হতে পারে।
২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থিতায় এগিয়ে থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প বিচারিকের নির্দেশের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। সপ্তাহের শুরুর দিকে আদালতে উপস্থিত থাকলেও শুক্রবারের তাকে দালতে দেখা যায়নি। অবশ্য এ মামলার বিবাদী হিসেবে তার উপস্থিতি বাধ্যতামূলকও নয়। পাঁচ হাজার ডলারের জরিমানার পর এ নিয়ে ট্রাম্প নিজে আর কোন কিছু বলেননি।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন