https://www.prothomalony.com/

6930

north-america

উত্তর আমেরিকা

উত্তরের জনপদ

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৩ ০৪:১৮

বিচ্ছেদ সবসময়ই কষ্টের। বিচ্ছেদে থাকে বিচ্ছিন্নতা, বেদনা, থাকে বিযুক্ততায় বিরহের প্রলাপ। আর তা যদি হয় দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থাকা প্রবাসজীবন-তবে যেন প্রলেপটা একটু বেশিই ঘন হয়। সীমাহীন কষ্টের পাহাড় বিভিন্ন সময়ে পাড়ি দিয়ে চলেছে প্রবাসীগণ। মনের মাঝে হারানোর তীব্র ব্যথা নিয়েও প্রতিনিয়ত লড়ে যাচ্ছে নিয়তির সাথে। প্রবাস জীবন আকর্ষণীয় হলেও পেছনে থাকে অন্যকিছু। কেউ হয়তো কর্মজীবনের কিছু সময়ের জন্য প্রবাসী হোন, কেউ আসেন সারা জীবন কাটাতে। এ জীবন কারো জন্য সুখের, কারো জন্য দুঃখের। উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী দুজনের কাহিনী নিয়ে আজকের এই জনপদের গল্প। নিরাপত্তার কারণেই চরিত্রের আসল নামগুলো বদলে দেয়া হয়েছে। 

ধন্যবাদান্তে-সোহানা নাজনীন/ ফরিদা ইয়াসমীন

ভিডিও কলে অন্তিম দেখা

“তুমি তোমার বাবার মুখটা কি শেষ বারের মতো দেখতে পেরেছিলে?”

ফল আর সবজির ভারী বাক্সগুলো লরি থেকে নামিয়ে একটু দাঁড়ালো ইসমাইল। দু'হাত কোমরে রেখে ফোঁস করে চেপে রাখা নিঃশ্বাস ছেড়ে দিয়ে বলল,

“জি ভাই! দেখলাম ভিডিও কলে। জানাজার পর বড় দুলাভাই আমাকে ভিডিও কল দিল। তাতে দেখলাম, আব্বা নিথর শুয়ে আছেন। চুপচাপ ঘুমিয়ে আছেন, যেন এখনই জেগে উঠে আমার সাথে কথা বলা শুরু করবেন। মুখাটা এতো হলুদ দেখাচ্ছিল, রক্তশুন্যাতার জন্য বোধহয়। বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারিনি। ওই অন্তিম যাত্রার চাইতে আব্বার হাসিমুখ বেশি করে আমার মনে গেঁথে আছে। আমি ওই মুখের হাসিটাই সারাজীবন ধরে রাখতে চাই।“

কথাগুলো বলতে বলতে ইসমাইলের মুখে বেদনার আঁধার ঘনিয়ে আসছিল। চোখ ছলছল করে উঠছিল অবাধ কান্নায়। হাতের তালুর উল্টোপিঠ দিয়ে আলতো করে চোখটা মুছে নিল সে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইসমাইলের আব্বা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ইসমাইল সেদিনও লরি থেকে গ্রোসারির মাল নামাচ্ছিল, আচমকা দুঃসংবাদ শুনে হুঁশ হারিয়ে ফেলেছিল। পরের দুদিন কাজে আসেনি আর, কিন্তু তিন দিনের দিন আবারো সেই মুটেগিরি-দায়িত্ব-পেটের ধান্ধা। 

আমিই ইসমাইল কে এক বাঙ্গালি গ্রোসারি তে কাজের সন্ধান দিয়েছিলাম। বছরখানেক আগে ছেলেটা এদেশে এসেছিল পারিবারিক ভিসায়, উডসাইডে বোনের বাসার বেইসমেন্টে থাকে। বয়স কম, দেশে থাকতে বেশিদুর লেখাপড়া করেনি, এদিকে বোনের বাসায় কিছু খরচ শেয়ার করতে হয়। একদিন পরিচয় হতেই বললাম,

“কাজ করতে চাও তুমি? গ্রোসারি দোকানের কাজ, বেশ কঠিন আছে। এই লরি থেকে মালামাল নামানো, সেগুলো দোকানের শেলফে জায়গামতো সাজানো। পারবে তুমি?”

সুঠাম শক্তপোক্ত গঠনের ইসমাইল ঘাড় নেড়ে বলেছিল,

“পারবো ভাই, এখন আর লজ্জা বলে কিছু থাকলে চলবে না। বোনের বাসায় থাকি কিন্তু আমার তো মান-সম্মান আছে।“

“চাইলে কিন্তু তুমি কাজ করে কিছু ডলার জমিয়ে আবার পড়া-লেখাটা শুরু করতে পারো। জানোইতো, এদেশে কলেজে যাবার কোন নির্দিষ্ট বয়স নেই। এদেশের সার্টিফিকেট না থাকলে যতোই গ্রিনকার্ড আর সিটিজেনশিপ থাকুক না কেন গাধার খাটুনি খাটতে হবে।“

সেই থেকে ইসমাইল গ্রোসারিতে পাঁচ দিনের জন্যে কাজে লেগে গেল। সততা আর পরিশ্রমী স্বভাবের জন্য ম্যানেজার ভীষণ পছন্দ করে তাকে। এস্টোরিয়া এলাকায় কখনো বেড়াতে গেলে ইছে করেই ঢুঁ দেই ইসমাইলের দোকানে। দুমিনিট দাঁড়িয়ে ভালো-মন্দ কথা জিজ্ঞাসা করি। আমি জানি ইসমাইল এখন ভালো নেই, ওর মনটা ভীষন অস্থির। প্রবাসে বসে বাবা-মা সহ প্রিয়জনদের চলে যাওয়ার খবর মেনে নেয়া খুব কঠিন। বাবার মৃত্যুতে তৎক্ষণাৎ দেশে যেতে পারেনি, তাই শেষ দেখাও হয়নি। ইসমাইলের বাবার ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর যেন উনাকে অতি দ্রুত দাফন করা হয়। এতো দূর থেকে বাইশ ঘন্টা প্লেন জার্নি করে তা-ই যাওয়া হয়নি। ভিন্ন দেশ আর দূরত্বের প্রভাবে এমন কতোকিছুই তো ইসমাইলদের মানিয়ে নিয়ে থাকতে হয়।

ছেলেটার পিঠে হাত বুলিয়ে আমি বের হয়ে আসলাম। ওকে সান্ত্বনা দেবার মতো ভাষা আমার শব্দের ঝুলিতে ছিলনা। 

আজ থেকে তেইশ বছর আগে আমার জীবনেও এমনটা ঘটেছিল। তখন আমি শিকাগোতে থাকি, ছোট ভাই থাকে নিউইয়র্কে। অন্যসব দিনের মতোই সারাদিন কাজের শেষে ক্লান্ত শরীর টেনে বাড়ি ফিরেছিলাম। রাতের খাবার শেষে টিভির সামনে বসে মনটা আরো উদাস হয়ে উঠেছিল। ঠিক তখনই ভেবেছিলাম ঢাকায় একটা কল দিলে কেমন হয়। ঢাকায় তখন সবেমাত্র ভোর হয়েছে, মুরুব্বীরা ফজরের নামাজ শেষ করেছেন হয়তোবা। নিজেই ফোন দিয়েই শুনেছিলাম “মা” মারা যাবার খবর। ওই রাতে ছোট ভাইকে বলেছিলাম যত দ্রুত সম্ভব যেন শিকাগোতে চলে আসে। আমার পাশে ওই মুহূর্তে এমন কেও ছিল না যাকে জড়িয়ে ধরে আমি একটু কাঁদতে পারি।

তখনকার দিনে আজকের মতো এমন ভিডিও কল দেবার সুবিধা তৈরি হয়নি। বৈধতার অভাবে আমি নিজের দেশে যেতে পারিনি, তাই মায়ের মুখটা শেষ বারের মতো দেখা হয়নি। ঢাকা এয়ারপোর্টে মায়ের যে প্রশান্তিমাখা চেহারা আমি শেষ দেখেছিলাম তা-ই “মা” বলতে সারাক্ষণ মনে ভাসাই। কিন্তু আধুনিক সময়ের কথা আলাদা, যোগাযোগ মাধ্যম ঘুচিয়েছে সমস্ত দূরত্ব। ইসমাইল তার প্রয়াত বাবার চেহারা দেখতে পেয়েছে ভিডিও কলে, তবুও কি কষ্ট কমেছে একবিন্দু? পৃথিবীর সব কর্নারে সব কষ্টের রঙ কেন একই রকম হয়? 

গন্তব্য অজানা

আন্টি কেমন আছেন? 

হঠাৎ এমন শব্দে পাশ ফিরে তাকাই। পাশ ফিরতেই চোখে পড়ে পরিচিত একটি মুখ। পথের ধারে ছোট্ট দোকান সাজিয়ে উনি বিক্রি করছেন রকমারি জিনিস। জ্যামাইকার সাগর চাইনিজের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম অন্য স্টেট থেকে আসা আত্মীয়-স্বজনের সাথে। পরিচিত মুখ দেখে এগিয়ে যাই। কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করি, আপনি এখানেও কাজ করেন? উত্তরে বললেন, হ্যাঁ সপ্তাহে ছুটির দিনগুলিতে আমি এখানে কাজ করি। 

পরিচিত মুখ দেখে উনি সানন্দে এগিয়ে দেন ছোট ছোট প্যাকেটে বাদাম, ক্যান্ডি, কুকিজ ও আরো বিভিন্ন জিনিস। সাথে থাকা ছোট বাচ্চাদের হাতে সেগুলো দিয়ে পয়সা বের করতে ব্যাগে হাত দেই। উনি হাত নেড়ে বলে ওঠেন "না! না আন্টি! পয়সা দিতে হবে না।"

আমি জোর করে পয়সা দিয়ে বলি "আপনি আমাদেরকে যে আন্তরিকতা দেখালেন তাতেই আমি খুশি! এতো কষ্ট করছেন পয়সাটা পকেটে রাখুন প্লিজ।"

উনি স্বলজ্জে ডলারগুলো পকেটে রাখেন।

এতক্ষণ যার সাথে কথা বলছিলাম উনি একজন ইমিগ্রান্ট বাংলাদেশি। বয়স সত্তরের উপরে হবে। পরিচয় বেশ অনেক দিনের। ম্যানহাটনে যখন উনি কাজ করতেন তখন আমার স্টোরে উনি প্রায়ই আসতেন এটা সেটা কিনতে। আমি যেহেতু ফটো ডিপার্টমেন্টে কাজ করি সেহেতু পরিচয়টা একটু গভীরে যায়। কারণ এক একটা ছবি মানুষের জীবনের এক একটা গল্প। সেই গল্পের সাথে কখনো জড়িয়ে থাকে গভীর আনন্দ, গভীর মায়া মমতা ,কখনো গভীর বেদনা। মানুষ ছবি দেখিয়ে তার বিগত জীবনের গল্প করতে অনেক পছন্দ করেন। উনিও আমার সেরকমই একজন পরিচিতজন। উনার নাম প্রসেনজিৎ সাহা। ম্যানহাটনে প্রতিদিন খবরের কাগজ বিক্রি করতেন। কাজ শেষ হলে উনি আসতেন ছবি প্রিন্ট করতে। মাঝেমধ্যে ছবি নিয়ে এসে বলতেন, "আন্টি আমার এই ছবিটা অনেক দিন আগের! একটু পরিষ্কার করে রি-প্রিন্ট করে দেন।"

আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করতাম ওনার ছবিতে নতুনত্ব আনতে। একদিন তিনি আসলেন এক মহিলার ছবি নিয়ে। সাদা কালো ছবিতে মাথায় ঈষৎ ঘোমটা টানা, সিঁথিতে সিঁদুর দেয়া গ্রাম বাংলার এক সাধারণ নারী। নিজে থেকেই বললেন উনি, "আমার ওয়াইফ। বিয়ের পরপর এই ছবিটা তুলেছিলাম। এই একটা মাত্র ছবি আমার কাছে আছে, আর কোন ছবি নাই।" 

বললাম, "সাম্প্রতিক কোন ছবি দেন, দুজনের রঙিন ছবি সুন্দর করে বাঁধাই করে দেব।" 

একটা ম্লানহাসি দিলেন তিনি। বললেন, "উনিতো স্বর্গবাসী হয়েছেন। আজ থেকে কত বছর আগে।"

ওনার ম্লান মুখ আমাকে ভীষণ কষ্ট দিলো। ম্যানহাটনের প্রচণ্ড ব্যস্ত জীবনে, কার সময় আছে আর একজনের দুঃখের কথা শোনার! প্রতিমুহূর্তেই মানুষ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে শুধু সামনে অগ্রসরমান! তবুও ওনার মলিন মুখ আমার গভীরে রেখাপাত করলো! ছবি করে দিলাম। উনি চলে গেলেন। যাবার আগে কৃতজ্ঞতায় কত বার যে ধন্যবাদ জানালেন! চোখটা ছলছল করে উঠল। 

কেন জানিনা ওই সাধারণ রমনীর মুখটা ভুলতে পারছিলাম না। ভুলতে পারছিলাম না প্রসেনজিৎ সাহার ছলছল চোখটাও।

এভাবেই দিন যায়। উনিও আসেন। কাজের ফাঁকে কথা বলি দু'একটা। একদিন বললাম, "আচ্ছা আঙ্কেল! আপনার ওয়াইফ অনেক আগেই মারা গেছেন। আপনি এখানে কীভাবে এলেন?”

তিনি বললেন, "আমার একমাত্র মেয়ে আমাকে এদেশে নিয়ে এসেছে। আমি আর আমার ছেলে একসাথে থাকি, ছেলেটা কলেজে পড়ে।"

ভালো লাগলো! যাক ওনার দুটো ছেলে মেয়ে তো আছে সাথে। ওনার চোখে অনেক স্বপ্ন! ছেলেটা কলেজ শেষ করলে ভালো চাকরি পাবে, ওনার কষ্টের শেষ হবে। সকৌতুকে বলি, "আঙ্কেল আন্টি তো কবেই চলে গেছেন, তো বিয়ে করলেন না কেন?"

এবার উনি বেশ জোর দিয়ে বললেন, "আমি যদি বিয়ে করতাম তাহলে আমার মেয়ে কি আমাকে আমেরিকা নিয়ে আসতো?" 

তাইতো! এ কথা তো ভেবে দেখিনি। আমি খুশি হয়ে বললাম, "আঙ্কেল আমেরিকার জীবনে আপনি কি সুখী? চোখ দুটো উজ্জ্বল করে বললেন, "হ্যাঁ আমি অনেক সুখী। এই যে দেখেন যা ইনকাম করি বাংলাদেশে থাকলে আমি কখনোই এই বয়সে এতটা ইনকাম করতে পারতাম না।"

যখন যা মনে চায় উনি তা-ই কিনতে পারেন, খেতে পারেন। ছেলে মেয়ে, নাতি-নাতনি জামাই সবার জন্য গিফ্ট কেনেন মনের সুখে। খুব ভালো লাগলো উনার উজ্জ্বল মুখশ্রী দেখে।

একদিন তিনি আসলেন। এসে বললেন, "দেশে যাচ্ছি।  অনেক কিছু কিনতে হবে।" 

বললাম, "আপনার কে আছে দেশে যে এত গিফট কিনবেন? ছেলে মেয়ে, নাতি-নাতনি সবতো এখানে।"

উনি বললেন, "কেন আমার বুঝি আত্মীয়-স্বজন নাই? আমি তাদের জন্য কিনব!"

আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম, উনি বেশ দাম দিয়ে কসমেটিক্স কিনলেন। শেভিং রেজার কিনলেন, আরো কিনলেন সাবান, শ্যাম্পু ,লোশন। হাসিমুখে জানালেন, মোটা একটা চেন নিয়েছেন তিনি, ভাতিজীর ঘরের মেয়েকে দিবে বলে। ভীষণ ভালো লাগলো শুনে। আমাকে বললেন "আন্টি কি আনব আপনার জন্য দেশের থেকে?"

বললাম, "আপনি ভালো মতো দেশে যান। আবার সুস্থ শরীর নিয়ে ফিরে আসুন নিরাপদে। আমার জন্য কিছু আনতে হবে না।"

একদিন দুপুর বারোটার দিকে উনি এসে আমার সামনে একটা প্যাকেট রাখলেন। বললেন, "কিছুই আনতে পারিনি আপনার জন্য। এই দেখেন না একটুখানি ঘরে তৈরি আচার আর বাজার থেকে সন্দেশ নিয়ে এসেছি।"

আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে বললাম, "আপনার এই উপহার আমার কাছে অনেক দামি। আমার কাছে এটাই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ উপহার।"

কিছুদিনের পরিচয়, তাও এই নিয়ম-কানুনে বাঁধা পরিবেশে উনি আমাকে মনে রেখেছেন। গিফ্ট এনেছেন। উনি তো আমার আত্মীয়তার সূত্রে কেউ নন। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি আছে। অনেক ধন্যবাদ জানাই উনাকে গোপনে চোখের পানি মুছে। 

এরপরে এলো সারা বিশ্ব জুড়ে কোভিডের মরণ থাবা। সবাই ঘরে বন্দি হলাম। প্রতিদিন শুধু মৃত্যুর আহাজারি! পত্রিকার পাতা জুড়ে শুধুই মৃত্যুর খবর! ফোন আসলে আতঙ্কে কেঁপে উঠি, না জানি কার মৃত্যুর খবর শুনতে হয়! এভাবেই কেটে গেল কয়েকটা মাস, নিউইয়র্কের ঘরে ঘরে শুধুই শোকের ছায়া। মৃত্যুর মিছিল! মাঝেমাঝে ভুলে যেতাম কে আছে আর কে নেই। 

এক সময় কাজে ফিরি। কিন্তু অনেক পরিচিত মুখ আর ফিরে আসে না। আসবে না কোনদিন। প্রসেনজিৎ সাহা সেও আর এলো না। অনেকদিন অপেক্ষা করলাম। মনে মনে ভাবলাম,  হয়তো অন্যদিকে অন্য কাজে চলে গেছেন তিনি।। কি জানি! হয়তো চলে গেছে অন্য কোথাও কিংবা একেবারেই চলে গেছে না ফেরার দেশে! জগতের রহস্যময়তার কাছে আমরা বড় অসহায়। তবুও আমরা পথ চেয়ে থাকি প্রিয় কোন ডাক শোনার জন্য।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন