https://www.prothomalony.com/

6761

north-america

উত্তর আমেরিকা

হামাস কেন হঠাৎ করেই হামলা চালালো ইসরায়েলে

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৩ ০৯:৩০

দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর নির্যাতন সহ্য করছেন হামাস ও ফিলিস্তিনি জনগণ। মুসলিমদের পবিত্র আল আকসা মসজিদে প্রবেশে মাঝে মাঝেই কড়াকড়ি আরোপ করে ইসরাইলি বাহিনী। এমনকি মসজিদের ভেতর নামাজরত মুসলিমদের ওপর ইসরাইল বাহিনীকে হামলা চালাতে দেখা গেছে। কট্টরপন্থি ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতমার বেন-গাভীর কমপক্ষে এক হাজার উগ্রপন্থি বসতিস্থাপনকারীকে সঙ্গে নিয়ে দখলীকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল আকসা চত্বরে প্রবেশ করেন ২০২৩ সালের জুলাইয়ে।

এক বছরের মধ্যে এটা তার তৃতীয়বার মুসলিমদের এই পবিত্র স্থানে প্রবেশ। এই পবিত্র স্থানে তিনি প্রবেশ করে মুসলিমদের, বিশেষ করে ফিলিস্তিনি গাজার অধিবাসীদের উস্কানি দিয়েছেন। অহরহ দখলীকৃত গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নির্যাতন চালায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। এমনকি গাজার নাগরিকরা তাদের জমিতে পর্যন্ত যেতে পারেন না বসতিস্থাপনকারীদের অত্যাচারে। এসব বিষয়ে হামাস বা ফিলিস্তিনি নেতারা বার বার অভিযোগ করেও কোনো কোনো প্রতিকার পায়নি।

পশ্চিমা বিশ্ব তাদের কথায় কান দেয়নি। দশকের পর দশক ধরে জিইয়ে রাখা হয়েছে শান্তি প্রক্রিয়া। এভাবে নিষ্পেষিত হতে হতে হামাস শেষ পর্যন্ত আকস্মিকভাবে স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইসরাইলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালিয়েছে শনিবার। 

এমন অবস্থায় হামাসের সামরিক কমান্ডার মোহাম্মেদ দেইফ বলেছেন, সময় এসে গেছে শত্রুদেরকে এটা বুঝতে হবে যে, পরিণতি ভোগ করা ছাড়া তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে না।

গাজায় তারা যে নির্যাতন, নিষ্পেষণ চালু করেছে তা পশ্চিমতীর ও জেরুজালেমে ছড়িয়ে পড়বে।

ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস অনেকটা আকস্মিকভাবেই ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।  ৷ ৭ অক্টোবর শনিবার সকালের এই হামলা ইসরায়েলিদের পাশাপাশি অনেককে বিস্মিত করেছে। সাধারণত ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছিল হামাস। এবার হামাস কেন আগে হামলা চালাল, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হামাসের হামলায় নিহত ইসরায়েলির সংখ্যা ১০০-এ দাঁড়িয়েছে। আর ইসরায়েলি হামলায় ১৯৮ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফায় একের পর এক হতাহত ব্যক্তিকে আনা হচ্ছে। লোকজনকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন