https://www.prothomalony.com/

18323

north-america

উত্তর আমেরিকা

কর রিটার্নে নাগরিকত্বের তথ্য জানাতে হবে, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৫৫

যুক্তরাষ্ট্রে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করদাতার নাগরিকত্ব বা বৈধ অভিবাসন-অবস্থার তথ্য জানানোর প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে ২০২৬ সালের কর রিটার্নের সঙ্গে নির্দিষ্ট কর-সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাইয়ে এ তথ্য দিতে হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংস্থা (আইআরএস) জানিয়েছে, নতুন প্রস্তাবের আওতায় কিছু ফেরতযোগ্য কর-সুবিধা দাবি করা করদাতাদের মার্কিন নাগরিক, মার্কিন নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনে নির্ধারিত যোগ্য অভিবাসী হিসেবে নিজেদের যোগ্যতা ঘোষণা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য দিলে শপথভঙ্গের দায়ও প্রযোজ্য হতে পারে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থাটি মূলত আর্নড ইনকাম ট্যাক্স ক্রেডিট (ইআইটিসি), চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট, আমেরিকান অপরচুনিটি ট্যাক্স ক্রেডিট ও অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিটের ফেরতযোগ্য অংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ট্রেজারি বিভাগের ভাষ্য, এ ধরনের কর-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ফেডারেল আইনে নির্ধারিত যোগ্যতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

আইআরএসের হিসাবে, ২০২৬ করবর্ষে প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ কর রিটার্নে এসব কর-সুবিধার অন্তত একটি দাবি করা হতে পারে। এর মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ রিটার্নে এমন কর-সুবিধা থাকতে পারে, যার ফেরতযোগ্য অংশ ফেডারেল পাবলিক বেনিফিট হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আনুমানিক ২ লাখ থেকে ৭ লাখ করদাতা এসব ফেরতযোগ্য সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারেন।

এদিকে প্রস্তাবটি নিয়ে অভিবাসী অধিকারকর্মী ও গোপনীয়তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, কর ব্যবস্থার সঙ্গে অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্য যুক্ত হলে অনথিভুক্ত অভিবাসীদের মধ্যে কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিষয়ে অনীহা তৈরি হতে পারে।

তবে প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আইআরএস ও ট্রেজারি বিভাগ এ বিষয়ে জনসাধারণের মতামত নিচ্ছে এবং ১৪ অক্টোবর একটি জনশুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন