https://www.prothomalony.com/

18178

north-america

উত্তর আমেরিকা

ভ্যাঙ্কুভারে ঢাবি অ্যালুমনাই অব বিসি-র বর্ণিল পিকনিক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:০০

প্রবাসের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা ফুরসত নিয়ে নস্টালজিক স্মৃতির টানে মেতে উঠেছিলেন কানাডায় বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। ভ্যাঙ্কুভার ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসরত ঢাবি অ্যালামনাইদের সংগঠন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই অব বিসি’-র উদ্যোগে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক মনোমুগ্ধকর বার্ষিক পিকনিক ও মিলনমেলা। গত ৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সারি শহরের বিয়ার ক্রিক পার্কে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এই আনন্দঘন উৎসবের আয়োজন করা হয়।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় পার্কের আঙিনা যেন হয়ে উঠেছিল একখণ্ড নীড়হারা স্মৃতির আঙিনা। দিনভর প্রাণোচ্ছল আড্ডা ও স্মৃতিতর্পণে উঠে আসে প্রিয় শিক্ষকদের স্নেহচ্ছায়া, ক্যাম্পাসের প্রেম, মধুর ক্যান্টিনের চায়ের কাপে ঝড় তোলা আড্ডা কিংবা রাজপথ কাঁপানো ছাত্র রাজনীতির সোনালী দিনগুলো। আয়োজনকে স্মরণীয় করতে ছিল পুরুষদের ফুটবল, নারীদের মিউজিক্যাল চেয়ার ও মিউজিক্যাল পিলো এবং শিশুদের জন্য ‘বল-ইন-দ্য-বাকেট’ ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের ঐতিহাসিক স্থাপনা শনাক্তকরণের চিত্র-কুইজ। দিনজুড়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের হৃদয়ানুরাগে পরিবেশিত গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত ছিল পার্ক প্রাঙ্গণ।

খাবারের আয়োজনেও ছিল ষোলআনা দেশীয় ছোঁয়া। সকালে চা-বিস্কুট, দুপুরে পোলাও, মুরগির রোস্ট, গরুর মাংস, ডিমের কারি ও ক্ষীর এবং বিকেলে পরিবেশন করা হয় ঝালমুড়ি ও ধোঁয়া ওঠা চা। দিনশেষে আনন্দময় রাফেল ড্র ও প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে উপহার তুলে দেওয়া হয়।

এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল কার্জন হল, টিএসসি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, অপরাজেয় বাংলা, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ, জগন্নাথ হল ও মধুর ক্যান্টিনের ছবি সংবলিত নান্দনিক ব্যানার ও ফটো ফ্রেম, যার নকশা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন ম্যাক কবির (ম্যাক কবির খান)।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ‘এক্স স্টুডেন্ট পরিবার’ নামে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি পরবর্তীতে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই অব বিসি’ নামে পরিচিতি পায়। হাফিজুর রহমান খান সুমন, সৈয়দ নিজাম আহমেদ, শফিকুর রহমান, দিদার আহমেদ, মোহাম্মদ ইমন, রাসেল আমিন, রাশেদ মাহমুদ, জাহিদ লতিফ, ইমন বারী, সালমান মাহবুব, আব্দুল মালেক, শাহাবুদ্দিন, লিমন, তাওলাদ হোসেন কাজল ও মুনির ভূঁইয়াসহ সক্রিয় সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অনুষ্ঠানটি সাফল্য লাভ করে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সৈয়দ নিজাম আহমেদ জানান, প্রবাসে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখতে আগামীতে বর্ণিল ‘শীতের পিঠা উৎসব’সহ আরও নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন