https://www.prothomalony.com/
17873
north-america
প্রবাসের ছকবাঁধা যান্ত্রিক জীবন—
নিয়মের শেকলে বাঁধা প্রতিদিনের চাকা।
তবু আজ মন ভেসেছে স্মৃতির সুবাসে,দেশী স্বাদে, ভালোবাসা ভালোবাসার সুতোয় বাঁধা এক বিকেলে।
আজকের এই আনন্দের আলো
বহু দিন প্রবাসীদের বুকে বেঁচে থাকবে—
এক চিলতে সবুজ-হলুদ বাংলাদেশ হয়ে
সবার মাঝে, সবার সাজে, হাজারো রঙের কোলাহলে।
হলুদ শাড়ির আঁচল আর রঙিন এই মেলামেলিতে
প্রবাসের সব ক্লান্তি মুছে দিয়ে
বুকের গহীনে জমা রইল কিছু অমলিন ভালোলাগা!
বাঙালি মানেই ভোজনরসিক। কিন্তু তাই বলে কাঁঠালকে কেন্দ্র করে একটা আড্ডার আয়োজন—এটা অনেকটা অদ্ভুতই বটে। বিশেষ করে অতি বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন হিসাবি মানুষের কাছে এটা হতে পারে সময় এবং শক্তির অপচয়। কিন্তু প্রথম আলো পরিবার একটু ক্ষেপাটে। তারা গুরুগম্ভীর হয়ে ভাবনাচিন্তা করার চেয়ে আনন্দে ভেসে যেতে ভালোবাসে।
উত্তর আমেরিকা প্রথম আলো মানেই নতুন কিছু, অভিনব কিছু কিংবা অদ্ভুত কোনো আয়োজন! অনেক দিন আগে প্রথম আলো শুরু করেছিল বৃহস্পতিবারের আড্ডা। আমরা প্রথম আলো পরিবার তার নামকরণ করেছিলাম বৃহস্পতির আড্ডা। গরুর মাংসের কালাভূনা দিয়ে সেই নামকরণের সূত্রপাত। সেই সব দিনে, আড্ডায় খাবারের কোনো অভাব থাকত না। আড্ডাবাজরা সবাই কিছু না কিছু খাবার হাতে করে নিয়ে আসত। আমরা তুমুল আনন্দে কবজি ডুবিয়ে খেতাম!
একসময় নিউইয়র্কে বৃহস্পতিবার মানেই ছিল আমাদের প্রথম আলোর আড্ডা। ধীরে ধীরে সেই আড্ডা একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল। এই আড্ডায় দেশ-বিদেশের কত মানুষ যে এসেছেন, আড্ডা দিয়েছেন, তার হিসাব রাখা কঠিন।
বৃহস্পতির আড্ডা লাগাতার চলেছিল করোনা মহামারীর আগ পর্যন্ত। তারপর আমাদের জীবন বদলে যায় করোনা-পরবর্তী বাস্তবতায়। আড্ডা ভেঙে যায়।
কিন্তু ইদানীং আমরা আবারও নানা নামে, নানা কারণে একটু একটু করে এটা-সেটা বিষয়ে আবারও আড্ডাবাজি শুরু করেছি।
কাকতালীয়ভাবেই আজ ছিল বৃহস্পতিবার। তারই সংযোজন এই কাঁঠালিয়া আড্ডা। কাঁঠালের সুমিষ্ট সুবাসে, কাঁঠালি রঙের পোশাকে জমজমাট হয়ে উঠেছিল আজকের আয়োজন।
এই আড্ডায় সবাই রাজা। এখানে কোনো সভাপতি নেই, মধ্যমণি নেই। গল্পের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই। নানা মানুষের নানা গল্প, স্মৃতিচারণ, কবিতা, লেখালেখির গল্প, ভ্রমণের গল্প অনায়াসেই জায়গা করে নেয় আলোচনায়।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন