https://www.prothomalony.com/
12146
bangladesh
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেছেন, ‘প্রবাসীরা আমাদের সম্পদ। তারা ভবিষ্যতে মা ও মাটির টানে দেশে আসবেন। গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের একটি শক্তিশালী অবস্থান আছে। এ অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য ভালো গবেষক, পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও প্রকৌশলী তৈরি করা উচিত। এছাড়া, এ সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও বয়স্কদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া দরকার। আমি আশা রাখি, এ অঞ্চলের মানুষের চাহিদা সামনে রেখে গ্লোবাল
জালালাবাদ এসোসিয়েশন সিলেট কমিটি কাজ করবে।’

গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির অভিষেক ও প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান ও
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সৌহার্দ্য-২০২৫-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শাখার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এম আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে রোববার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর দরগাহ গেইটস্থ গ্রান্ড মোস্তফা হোটেল আবাবিল কনফারেন্স হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক হেলাল নির্ঝর ও কবি মামুন সুলতানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ মঈনুস সুলতান, চ্যানেল এসের (ইউকে) চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী জেপি, যুক্তরাজ্য প্রবাসী
আলাউদ্দিন আহমেদ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ আজিজুর রহমান, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. কাপ্তান হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল মুনিম জাহেদী (ক্যারল), সহ সভাপতি অলি উদ্দিন শামীম, এসোসিয়েশনের স্পেন শাখার প্রেসিডেন্ট আমিন আলী রফিক, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির রহমান, অস্ট্রেলিয়া শাখার প্রেসিডেন্ট রাসেল আহমদ, মালয়েশিয়া শাখার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাকারিয়া, পর্তুগাল শাখার প্রতিনিধি মো.
শহীদুজ্জামান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন সংগঠনের সদস্য কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির অভিষেক ও প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সৌহার্দ্য-২০২৫’-এর আহ্বায়ক বদরুল ইসলাম চৌধুরী বদর। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আব্দুল মুকিত আজাদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শাখার সাধারণ সম্পাদক বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রিপন আহমদের সঞ্চালনায় অভিনয় শিল্পী ছিলেন বেলাল আহমদ মুরাদ ও আব্দুল মুকিত অপি। গান করেন ফকির মাহমুদা, সুপ্রিয়া দে, সায়েম আহমদ, রিপন দে, সন্তোষ দাস ও অনুপ সরকার।
অনুষ্ঠানে এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে বরণ করা হয় এবং প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মঈনুস সুলতান বলেন, ‘আমি ১৬টি দেশে কাজ করেছি। একটি সংগঠন গঠন করতে হলে অনেক পরিশ্রম ও সাধনার প্রয়োজন। আমি নিজেও কয়েকটি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম, কোনো কোনো সময়
নেতৃত্বও দিতে হয়েছে। গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সমাজসেবামূলক কাজ সম্পর্কে আমার জানা আছে। আশা করবো, এই সংগঠনের একটি অংশ হিসেবে সিলেট বিভাগীয় কমিটি কাজ করবে।’
আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী জেপি বলেন, ‘গ্রামে-গঞ্জে কিংবা দেশীয় অনেক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সিলেটিদের দাবি-দাওয়া আদায়ে সেই ধরনের কোনো সংগঠন ছিল না। গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা গ্লোবালি কাজ করছি। এ সংগঠনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমস্যা
সমাধানের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।’
এম আতাউর রহমান পীর বলেন, ‘যেই লক্ষ্যে গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই লক্ষ্যকেই বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবে সিলেট বিভাগীয় কমিটি। এছাড়া সিলেটের যাবতীয় সমস্যা সমাধানেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া চেষ্টা করবে।’
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন