https://www.prothomalony.com/
2292
new-york
দুই বিবাদমান কমিটির যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার সাধারণ সভা ২০ নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত হয়। লিটল বাংলাদেশ খ্যাত নিউইর্কে চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার অফিস কক্ষে দুপুর ২টা থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে সমিতির আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্য, প্রাক্তন কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দসহ লোকজন নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফিলাডেলফিয়া, কানেকটিকাটসহ বিভিন্ন স্টেট থেকে সাধারণ সভায় জমায়েত হতে থাকে।
ঐক্যবদ্ধ চট্টগ্রাম সমিতির এই সভায় সবার ভেতর ছিল আনন্দের ঝিলিক। প্রায় একযুগ ধরে চট্টগ্রাম সমিতির অচলাবস্থা, হিসেবের অনিয়ম ও বিবাদের সমাধানকল্পে উভয় কমিটির সংখ্যাগুরু সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে, সংবিধানের ধারা রক্ষা করে রেসল্যুশনের মাধ্যমে ৪ নভেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এই সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়।
চট্টগ্রাম সমিতির আজীবন সদস্য ও প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সৈয়দ এম রেজার সভাপতিত্বে নূরল আনোয়ারের সঞ্চালনায় মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন দুই কার্যকরী কমিটির কমিটির সভাপতি মনির আহামদ ও আহছান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম ও মুক্তাদির বিল্লাহ। সভার শুরুতে আনোয়ার সূচনা বক্তব্যে সাধারণ সভার কার্যক্রম বর্ণনা ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যেখানে এজেন্ডা হিসেবে আসে ১) বিগত বিদ্যমান সকল কার্যকরী কমিটি ও ট্রাস্টি বোর্ড বা সকল প্রকার উপকমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা, ২) নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি ঘোষণা, ৩) সাধারণ সদস্যদের প্রশ্ন/উত্তরপর্ব।
মাহাবুবুর রহমান বাদল অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির রূপরেখা ও সাংবিধানিক ধারা, উপধারা ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, এ কমিটিতে ১৫ জন সদস্য থাকবে, বৈষম্যহীনভাবে সব মেম্বারের সমান দায়িত্ব থাকবে, কমিটির মেয়াদ হবে ৬ মাস (বিশেষ প্রয়োজনে আরও তিন মাস বর্ধিত হতে পারে)। এই ৬ মাসের মধ্যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন ,মেম্বারশিপ ও ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা, যাবতীয় দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্সে নিয়ে কোনো অডিট ফার্মের মাধ্যমে সকল পূর্ববর্তী কমিটির হিসেবের অডিট করানোসহ সমিতি ভবনের নিত্তনৈমিত্তিক কাজ দেখাশোনা করা।
উপস্থিত সদসদের প্রায় সবার কণ্ঠভোটের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বাইলজ ও রেজ্যুলেশন অনুমোদন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন সভাপতি মো. হানিফ, কাজী আজম, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন ও আবু তাহের, আবুল কাসেম ভূঁইয়া, মাকসুদুল হক চৌধুরী, তারিকুল হায়দার চৌধরী, আহমদ নবী, ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানের সভাপতি সৈয়দ এম রেজা ১৫ জনের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির নামের তালিকা ঘোষণা করেন। বিপুল করতালির মাধ্যমে তা অনুমোদিত হয়। নতুন কমিটিকে শপথবাক্য পাঠ করান চট্টগ্রাম সমিতির প্রবীণ আজীবন সদস্য, প্রাক্তন ট্রাস্টি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সিরাজী। অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যরা হলেন—
মনির আহমদ, নুরুল আনোয়ার, জয়নাল আবেদিন, ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, মোক্তাদির বিল্লাহ, মাকসুদুল হক চৌধূরী, তারিকুল হায়দার চৌধূরী, আহ্সান হাবিব, আবুল কাসেম, মেহবুবুর রহমান বাদল, মো. সেলিম, আবু তাহের, মীর কাদের রাসেল, হারুন মিয়া ও সুমন উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুর রহিম, মো. জাফর, মফজল আহমদ , রুহুল আমিন, আবু তালেব চান্দু , জসিম উদ্দিন ,মিজানুর রহমান জাহাঙ্গীর, মো. শাহজাহান, কাওসার চৌধুরী, ইব্রাহিম দিপু, আমজাদ হোসেন ভূঁইয়া, আসিফুর রহমান, মো. আজিম। মো. ইদ্রিস, মো. ইয়াসিন, রিদওয়ান, আনোয়ার হোসেন।
নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন