https://www.prothomalony.com/

6776

bangladesh

বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্‌-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দল ঢাকায়

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৫১

৭ অক্টোবর শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ছয় সদস্যের একটি প্রাক্‌-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দল ঢাকায় এসেছে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ, প্রস্তুতি কেমন আছে তা দেখার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্র‍্যাটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) দলটিকে পাঠিয়েছে। দলে আছেন দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি কার্ল ইন্ডারফার্থ, ইউএসএআইডি-এর সাবেক উপ-প্রশাসক বনি গ্লিক, মালয়েশিয়ার হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের সাবেক সদস্য মারিয়া চিন আবদুল্লাহ, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাবেক আইনি পরামর্শক জামিল জাফির, এনডিআই-এর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক মানপ্রিত সিং আনন্দ ও আইআরআই-এর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের ঊর্ধ্বতন পরিচালক ইয়োহানা কাও।

৮ অক্টোবর রোববার দলটি ঢাকায় মার্কিন ও ইউরোপীয় কূটনীতিক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্তত চারটি বৈঠক করেছে। তবে বৈঠকে কী কথা হয়েছে সে বিষয়ে দলটির সদস্যরা মন্তব্য করেননি।

এনডিআই ও আইআরআই-এর যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এক বিবৃতিতে বনি গ্লিক বলেছেন, এই প্রাক্‌-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিকাশে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। কার্ল ইন্ডারফার্থ বলেন, বাংলাদেশে আগামী নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি চলছে, তাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা জোগাতে দলটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে।

৮ অক্টোবর রোববার  মার্কিন দলটির সঙ্গে বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা জানতে চেয়েছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকার কী কী কাজ করেছে? কীভাবে এমন নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হতে পারে? পর্যবেক্ষক দলকে তিনি জানিয়েছেন, সরকার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায়। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রসঙ্গে তাঁদের বলা হয়েছে, সরকার জনগণের ভোট দেওয়াকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। নির্বাচনের প্রচারে সবার জন্য সমান সুযোগ ও ভোট চুরির বিষয়ে সরকার যে সতর্ক, তা বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিনিধি দলকে বলা হয়েছে সরকার চাইলেই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। সব দল-মত স্বতঃস্ফূর্ত যোগ দিলেই কেবল এমন নির্বাচন সম্ভব হতে পারে। সরকার কাউকে ভোটে অংশ নিতে জোর করে না বলে তিনি দলটিকে জানিয়েছেন। নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গ আলোচনায় আসেনি।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশ করে গণমাধ্যম দেশের জন্য বিপদ ডেকে আনছে।

৯ অক্টোবর সোমবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে মার্কিন দলটির। আগামী ১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর প্রতিনিধি দলটির বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে। দলটি আগামী জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর বিষয়েও সুপারিশ করবে।

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন