https://www.prothomalony.com/
6368
bangladesh
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:১১
এক ধাপ এগিয়ে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় আবারো বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সংগঠন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান স্থান পেয়েছেন। ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার আমেরিকান ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনী ব্যক্তির তালিকা, তাতে এক ধাপ এগিয়ে আজিজ খান ৪১তম স্থানে রয়েছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ বলা হয়েছে ১ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বসের ২০২২ সালের সিঙ্গাপুরের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তিনি ৪২তম স্থানে ছিলেন। তার মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে আজিজ খানের সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দমমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। সিঙ্গাপুরের তালিকায় তার অবস্থান ৪১তম হলেও ফোর্বসের তৈরি বিশ্ব কোটিপতিদের তালিকায় তিনি ২ হাজার ৫৪০তম স্থানে রয়েছেন। এই অবস্থানে তিনি অবশ্য আরও বেশ কয়েকজনের সঙ্গে আছেন।
২০২১ সালে তার মোট সম্পদ ছিল ৯৯ কোটি ডলার। ২০১৯ সাল থেকে তার সম্পদ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এরপর ২০২২ সালে তার সম্পদ বেড়ে দাঁড়ায় এক বিলিয়ন ডলারে। ফলে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ারদের তালিকায়ও তিনি স্থান পেয়েছেন।
ফোর্বসের তথ্য অনুসারে, ২০১৯ সালে আজিজ খান সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল-এর ২২ শতাংশ শেয়ার জাপানি কোম্পানি জেইআরএ-এর কাছে ৩৩০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছিলেন। সেই বিক্রয় মূল্যের ওপর ভিত্তি সামিট পাওয়ারের বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশের নাগরিক ৬৮ বছর বয়সী আজিজ খান এক যুগের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস ও আবাসন খাতের ব্যবসা আছে সামিট গ্রুপের এবং তাদের সব সম্পদ বাংলাদেশেই রয়েছে।
সামিটের অধীন বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতের যত ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলোর হোল্ডিং কোম্পানি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল।সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত। সে জন্য বাংলাদেশে ব্যবসা করলেও এ কোম্পানির সম্পদের হিসাব করা হয় সিঙ্গাপুরে। ‘ফোর্বস’ জানাচ্ছে, মুহাম্মদ আজিজ খানের কন্যা আয়েশা খান বর্তমানে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল পরিচালনা করেন।
মার্কিন এ সাময়িকীর তালিকায় আজিজ খানের যে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, তিনি তিন সন্তানের পিতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে তিনি মাস্টার্স করেছেন।
‘ফোর্বস’–এর নতুন তালিকা দেওয়ার পর আজিজ খান বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন