https://www.prothomalony.com/
6235
bangladesh
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১০:৩০
২৯ আগস্ট মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পড়েন। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।
এই পর্বে যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে দেখা যায়, মজুত আছে, সরবরাহ আছে, তারপরও হঠাৎ করে জিনিসের দাম বেড়ে যায়। পেঁয়াজ, ডাবের ক্ষেত্রে দেখলাম। কাঁচা মরিচের কেজি এক হাজার টাকা দেখলাম। সিন্ডিকেটের কথা দায়িত্বশীল মন্ত্রীরাও বলেন। আমরা মনে করি, সরকার দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে। এই নিত্যপণ্যের মৌসুমি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে কি না, তা জানতে চান তিনি।
জবাবের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন ডিম নিয়ে শুরু করেছে। ডিমের দাম কমলে বেশি সেদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন। অনেক দিন ভালো থাকবে, সহসা নষ্ট হবে না। রান্না করতে পারবেন, ভর্তা বানাতে পারবেন।’ তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভরশীলতা কমায় দিব, বিকল্প ব্যবস্থা করব। সিন্ডিকেট এভাবেই ভেঙে যাবে।’
বর্ষাকালে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা তো রয়েছে। কাঁচা মরিচ এখন শুকনা করে রেখে দেওয়া যায়, পেঁয়াজ শুকিয়ে সুন্দর করে রেখে দেওয়া যায়। যে জিনিসটা বেশি হবে, সেটা ভালো করে রোদে শুকিয়ে রেখে দিলে অনেক দিন ব্যবহার করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যপণ্য নিয়ে কয়েকটা হাউস ব্যবসা করে। যখনই তারা আর্টিফিশিয়ালি (কৃত্রিমভাবে) দাম বাড়ায়, আমরা আমদানি করি, বিকল্প ব্যবস্থা করি। যাতে তারা বাধ্য হয় দাম কমাতে। আমরা তো সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেই।’
কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জুন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বর্ষা হলে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যায়। তাই কাঁচা মরিচ উৎপাদন করে রোদে শুকিয়ে রেখে দেন। পরে পানি ছিটিয়ে দিলে এটি তাজা হয়ে যায়।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন