https://www.prothomalony.com/

6181

bangladesh

বাংলাদেশ

ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, চলতি বছর মাল্টায় ২৩১ জন অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে ১৪৯ জন বাংলাদেশী

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৩ ১১:১৭

২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টায় পৌঁছানো অন্তত ২৩১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাংলাদেশেরই রয়েছেন ১৪৯ জন। 

২৬ আগস্ট শুক্রবার টাইমস অব মাল্টার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে মাল্টায় ৭৫ জন শরণার্থী গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। আর ২০২১ সালে ৪৫৮ জন এবং ২০২০ সালে ২ হাজার ৪৫ সেখানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এসব শরণার্থীর ৮৪ শতাংশই লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগরে যাত্রা শুরু করেছিলেন। বাকিরা তিউনিসিয়া থেকে। 

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে মাল্টায় আসা শরণার্থীদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই বাংলাদেশি (১৪৯ জন)। এ ছাড়া অন্যদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে সিরিয়া ২১, গিনি ১৯, ক্যামেরুন ১৭, মিসরী ১৩, সুদান ৫ জন এবং ফিলিস্তিন ও দক্ষিণ সুদান থেকে তিনজন করে। এ ছাড়া মারাত্মক অসুস্থ হওয়ার কারণে নিবন্ধন বইয়ে একজন কোনো তথ্যই দিতে পারেননি। 

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্যমতে, ২০২২ সালেও মাল্টায় যাওয়া শরণার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই ছিলেন সবচেয়ে বেশি; প্রায় ৫১ শতাংশ। অন্যদের মধ্যে সিরিয়ান ছিল ২৮ শতাংশ এবং মিসরীয় ছিল ৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে মাল্টায় যাওয়া ২৩১ জনের মধ্যে ১৯৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী এবং ২০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু।  শিশুদের মধ্যে দুজন প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গী হিসেবে আছে। 

 ৩ জুলাই এক পরিসংখ্যানে প্রকাশিত হয়েছে, মাল্টায় যেসব শরণার্থী বর্তমানে অবস্থান করছেন, তাঁদের মধ্যে ২২৭ জন একটি খোলা অভ্যর্থনা কেন্দ্রে বসবাস করছিলেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ২১০ জন কমিউনিটি আকারে বাস করছেন। খোলা অভ্যর্থনা কেন্দ্র যারা বসবাস করছিলেন, তাঁদের ৬৯ শতাংশই (১৫৬ জন) পুরুষ এবং এই কেন্দ্রের ৯২ শতাংশই হাল ফার ট্যান্ট ভিলেজে অস্থায়ীভাবে বাস করছিলেন। 

অন্য এক  পরিসংখ্যানের তথ্য মতে ২০২৩ শুরুর দিকে ২৮২ জন শরণার্থী আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন। আশ্রয় গ্রহণের জন্য সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন সিরিয়া, সুদান ও  বাংলাদেশের শরণার্থীরা

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন