https://www.prothomalony.com/

5922

bangladesh

বাংলাদেশ

দেশে ডলারের সংকট সমাধান অনিশ্চিত হওয়ায় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির আশংকা

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৩ ০৬:৪৪

অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে দেশে ডলারের সংকট সমাধান, অনিশ্চিত হওয়ায় পণ্য মূল্য আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডলার সংকট চলতি অর্থবছরেও চলমান থাকবে। 

২০২২ এর  ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এরপর থেকেই দেশে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পায় জ্বালানি তেলসহ প্রায় সব পণ্যের দাম। ২০২২ এর এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমদানিতে ২৫ শতাংশ এলসি মার্জিন আরোপ করে। পরে ধাপে ধাপে তা বৃদ্ধি করে শতভাগ করা হয়। আমদানিতে এই কড়াকড়ি আরোপ বর্তমানেও চলমান রয়েছে।

২০২২ সালে ডলার সংকটের কারণে কেবলমাত্র খাদ্য, জ্বালানি, কৃষি, শিল্পের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আমদানি ছাড়া বাকি সব পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে সরকার, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এতে পণ্য ভেদে আমদানি কমেছে প্রায় ১৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। আমদানি কমায় বাজারে এসব নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে। 
 
ডলারের সংস্থান ছাড়া কোনো এলসি খোলা যাচ্ছে না ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে। সাম্প্রতিক সময়ে  কেবলমাত্র রপ্তানিকারকরাই এলসি খুলতে পারছেন। এর বাইরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের কিছু বাড়তি ডলার দিয়ে সরকারি খাত ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাণিজ্যিক খাতে কোনো পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে না। এর ফলে রড তৈরির কাঁচামাল স্ক্র্যাপ ভেসেল বা পুরোনো জাহাজ ৬১ শতাংশ, আয়রন ও স্টিল স্ক্র্যাপ ২০ শতাংশ, বিভিন্ন ধরনের মেটাল ৭১ শতাংশ, ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল ১৪ শতাংশ, কটন ইয়ার্ন ৪০ শতাংশ আমদানি কমেছে। এমনকি রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও ১৬ শতাংশ কমেছে, এলসি খোলা কমেছে ৩৪ শতাংশ। 

এদিকে আগে বৈদেশিক ঋণ নিয়ে স্বল্পমেয়াদি দায় মেটানো হতো। এখন ঋণ গ্রহণের পরিমাণ কমে গেছে। যে কারণে এখন ডলার সংকট আরও প্রকট হচ্ছে। এরমধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ মান কমিয়ে দেয়ার পূর্বাভাস দেয়ায় বিদেশ থেকে ঋণপ্রবাহ আরও কমবে। একই সঙ্গে বাড়বে খরচ। এতে ডলারের সংকট আরও প্রকট হতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানায়, ডলারের সংকট ধীরে ধীরে কমছে। 

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন