https://www.prothomalony.com/

7664

bangladesh

বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচন ও মানবাধিকার বিষয়ে দূরত্ব অনেকটা কমেছে - পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১১:০২

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম দাবি করেছেন নির্বাচন ও মানবাধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দূরত্ব অনেকটাই কেটেছে। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ভুল–বোঝাবুঝি ছিল। ভবিষ্যৎ বলে দেবে ভুল–বোঝাবুঝি আর রয়েছে কি না। ১১ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

শাহরিয়ার আলম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের ওপর নতুন করে কোনো বিধিনিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা আসার আশঙ্কা নেই। কারণ, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার পর থেকে প্রতিটি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হয়েছে এবং ওয়াশিংটনকে তা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সরকার থেকে নেওয়া পদক্ষেপগুলোও জানানো হয়েছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা তো দূরের কথা, র‍্যাবের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, প্রত্যাশা করি, এটি উঠে যাবে। বাংলাদেশ এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’

দুই দেশের সম্পর্ক ও কাজ করার সুযোগ বেড়েছে উল্লেখ করে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘অতীতে কিছু ভুল–বোঝাবুঝি ছিল, ভবিষ্যৎ বলে দেবে কিছু ভুল–বোঝাবুঝি রয়ে গেছে কি না। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক কিছু বোঝাতে সক্ষম হয়েছি, আগে যে চেষ্টা করানো হয়নি। করোনার সময় যোগাযোগের অভাবে কিছু ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। তবে যাদের দিয়ে প্রভাবিত হয়ে অতীতে সিদ্ধান্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছে, সে রাস্তাগুলো আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। ফলে সেই প্রভাব কমে গেছে।’

কী নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝি ছিল, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝি ছিল।

মানবাধিকার ও নির্বাচন ইস্যুতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকার দূরত্ব কেটেছে কি না, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দূরত্ব অনেকটাই কেটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ওয়াদা করেছিল বাংলাদেশে এমন কিছু করবে না, যা একটি দলের পক্ষে যায় বা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। তারা কথা রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা নেই উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে। ব্যবসা কারও দয়ায় চলে না। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে তুলেছে। এ ছাড়া বাণিজ্যিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে টিকফা বৈঠকের বাইরেও বৈঠক করা হচ্ছে। বৈঠকগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতিতে শ্রম লবির বড় প্রভাব রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র কেন শ্রম বিষয়ে কথা বলছে বা শ্রমনীতি নিয়েছে, তা বোঝা যায়। বাংলাদেশও শ্রম বিষয়ে একই মানদণ্ড চায়। ২০২৫ সালের মধ্যে এ বিষয়ে সব উদ্বেগ দূর করবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন